সরকার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দণ্ডিতদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করতে পারছে না। এ বিষয়ে আইনি সংকট দেখা দিয়েছে, কারণ বিধিমালা না থাকায় প্রক্রিয়া সম্পন্ন হচ্ছে না।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম জানান, আদালতের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে যাতে পলাতকদের দণ্ড কার্যকর না হলেও সম্পদ বাজেয়াপ্ত করা যায়। জুলাই মাসে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ১৫ জনের মৃত্যুদণ্ডের রায় হয়েছে।
রায়ে শেখ হাসিনা, সাবেক এমপি সাইফুল ইসলাম, বরখাস্ত পুলিশ কর্মকর্তা হাবিবুর রহমানসহ অনেকের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে শহীদ ও আহতদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে, ট্রাইব্যুনালের আইন অনুযায়ী সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের রায় বাস্তবায়নের পথ বন্ধ রয়েছে।
আমিনুল ইসলাম বলেন, "সুনির্দিষ্ট গাইডলাইন না থাকায় এবং প্রক্রিয়া উল্লেখ না থাকার কারণে রায় বাস্তবায়ন সম্ভব হচ্ছে না।" প্রসিকিউশন এ সমস্যার সমাধানে উদ্যোগ নিয়েছে।
সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের রায় কার্যকরে সরকারী দাবি আদায় আইন অথবা ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৮৬ ধারা প্রয়োগের অনুমতি চেয়ে ট্রাইব্যুনালে আবেদন করা হয়েছে।
চিফ প্রসিকিউটর আশা প্রকাশ করেন যে, আসামিদের বিরুদ্ধে রায়ের দিন এ বিষয়ে নির্দেশনা আসবে। তিনি বলেন, "জাজমেন্টে যদি সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের আদেশ থাকে, তাহলে বাস্তবায়ন সহজ হবে।"
একই ব্যক্তির সম্পত্তি ট্রাইব্যুনালের পাশাপাশি অন্য আদালতও বাজেয়াপ্ত করলে, ট্রাইব্যুনালের রায়ই কার্যকর করতে হবে।