মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
ব্রেকিং
শিক্ষা

সিজারের সিদ্ধান্তে পরিবার ও সমাজের প্রভাব: নতুন গবেষণা

সিজারের সিদ্ধান্তে পরিবারের ও সামাজিক প্রত্যাশার প্রভাব নিয়ে নতুন গবেষণা প্রকাশিত হয়েছে।

সিজারের সিদ্ধান্তে পরিবার ও সমাজের প্রভাব: নতুন গবেষণা

বাংলাদেশে সিজারিয়ান সেকশনের হার বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা শুধুমাত্র চিকিৎসাগত কারণে নয়, বরং পরিবার, সংস্কৃতি ও সামাজিক প্রত্যাশার কারণে হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়ার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের হাওয়ার্ড জার্নাল অব কমিউনিকেশনসে প্রকাশিত একটি গবেষণায় এই বিষয়গুলো উঠে এসেছে।

গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব নারীরা সিজারের মাধ্যমে সন্তান জন্ম দিয়েছেন, তাদের প্রায় ৯১ শতাংশ প্রাথমিকভাবে এই পদ্ধতিতে আগ্রহী ছিলেন না। গবেষণাটির শিরোনাম “কালচারাল নর্মস অ্যান্ড ম্যাটারনাল হেলথ বিহেভিয়ার: সোশ্যাল ইনফ্লুয়েন্সেস অন সিজারিয়ান সেকশন ইনটেনশনস ইন বাংলাদেশ” এবং এতে ১৮ থেকে ৩৫ বছর বয়সী ৫০৩ জন বাংলাদেশি নারীর অংশগ্রহণ ছিল।

গবেষক ড. জামাল উদ্দিন, যিনি সেন্টার ফর সাউথ এশিয়ান মিডিয়া অ্যান্ড কালচারের ফ্যাকাল্টি রিসার্চ ফেলো, বলেন, সিজারের সিদ্ধান্ত কেবল চিকিৎসাগত বিষয় নয়, বরং এটি পরিবারের, সংস্কৃতির, সামাজিক প্রত্যাশা, ভয় ও মর্যাদাবোধের সাথে জড়িত।

গবেষণায় অংশগ্রহণকারী নারীদের মধ্যে দেখা গেছে, বেসরকারি হাসপাতালে প্রসব করা নারীদের ৮৫ শতাংশ সিজারের মাধ্যমে সন্তান জন্ম দিয়েছেন, যেখানে সরকারি হাসপাতালে এই হার ৪৬ শতাংশ। এটি মাতৃস্বাস্থ্য এবং অপ্রয়োজনীয় অস্ত্রোপচারের বিষয়ে নতুন উদ্বেগ তৈরি করছে।

গবেষণার সুপারিশে বলা হয়েছে, অপ্রয়োজনীয় সিজার কমাতে শুধুমাত্র গর্ভবতী নারীদের তথ্য প্রদান যথেষ্ট নয়। বরং, স্বামী, মা, শাশুড়ি এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যদেরও মাতৃস্বাস্থ্য নিয়ে আলোচনা করতে হবে।

বিজ্ঞাপন