মালয়েশিয়ায় আবার কর্মী নিয়োগের খবর ছড়িয়ে পড়েছে। বাংলাদেশের তরুণরা এখন ভাবছেন, কিভাবে এই সুযোগের সদ্ব্যবহার করবেন। তবে, অভিবাসন নিয়ে সঠিক তথ্যের অভাব বড় ঝুঁকি তৈরি করছে।
বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, আগামী ছয় মাসে মালয়েশিয়ায় দুই লাখ বাংলাদেশি কর্মী যেতে পারবে। কিন্তু মালয়েশিয়া সরকারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত আসেনি। মালয়েশিয়ার মুখপাত্র দাতুক সেরি ফাহমি ফাদজিল বলেন, “বাংলাদেশ সরকারের কর্মকর্তাদের বক্তব্যকে সরকারি অবস্থান হিসেবে বিবেচনা করা উচিত নয়।”
অভিবাসন প্রক্রিয়ায় সঠিক তথ্যের অভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন, দালালের তথ্যের ওপর নির্ভর করা বিপজ্জনক। সরকারি তথ্য ও বিজ্ঞপ্তির দিকে নজর দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
ভিসা পাওয়া মানেই চাকরি নিশ্চিত নয়। চাকরির শর্তাবলী সম্পর্কে জানার জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করা জরুরি। ২০২৩ সালে ব্র্যাকের গবেষণায় দেখা গেছে, মালয়েশিয়ায় যাওয়া শ্রমিকদের ৫৪ শতাংশ চুক্তিতে উল্লেখিত কাজ পাননি।
বিদেশে যাওয়ার আগে প্রয়োজনীয় দক্ষতা ও ভাষার জ্ঞান থাকা অত্যাবশ্যক। সরকারের পাশাপাশি এনজিওগুলোরও উচিত সঠিক তথ্য জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়া।
মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খুললে বাংলাদেশের কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পাবে এবং রেমিট্যান্স বাড়বে। তবে, নিরাপদ অভিবাসনের জন্য সঠিক তথ্য নিশ্চিত করা আবশ্যক।