মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
ব্রেকিং
আন্তর্জাতিক

নেপাল ও তিব্বতে আকস্মিক বন্যায় প্রাণহানি ৮১০, সংকট গভীর হচ্ছে

নেপাল ও তিব্বতে আকস্মিক বন্যায় প্রাণহানি বেড়ে ৮১০, খাদ্য ও চিকিৎসাসামগ্রীর সংকট।

নেপাল ও তিব্বতে আকস্মিক বন্যায় প্রাণহানি ৮১০, সংকট গভীর হচ্ছে

আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে নেপাল ও তিব্বতে প্রাণহানি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮১০ জনে। এর মধ্যে নেপালেই মারা গেছে ৭৯৪ জন। বিদেশিসহ এখনও নিখোঁজ ৩ হাজারের বেশি। ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়াদের উদ্ধারে চলছে মরিয়া অভিযান।

বন্যাদুর্গত এলাকায় দেখা দিয়েছে খাবার পানি, ওষুধ ও চিকিৎসাসামগ্রীর সংকট। রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নেপালের রসুয়া জেলায় বন্যা ও ভূমিধসে ধ্বংসস্তূপের নিচে টানা ৩ দিন আটকে ছিল ৬ বছরের শিশু মনিষা। পরে তার কান্নার শব্দ শুনে শুরু হয় উদ্ধার অভিযান।

দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর জীবিত উদ্ধার করা হয় শিশুটিকে। বর্তমানে কাঠমান্ডুর একটি হাসপাতালে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছে মনিষা। উদ্ধার অভিযানের হৃদয়স্পর্শী ভিডিও এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল।

তবে সময়ের সঙ্গে ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়াদের জীবিত উদ্ধারের আশাও ক্ষীণ হয়ে আসছে। নিখোঁজদের খোঁজে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় পরিবারগুলো। দেয়ালে টাঙানো তালিকায় একের পর এক নাম খুঁজছেন তারা।

এরই মধ্যে উদ্ধার করা হয়েছে বেশ কয়েকটি মরদেহ। সেনাসদস্যরা ধ্বংসস্তূপ থেকে মরদেহ উদ্ধার করে নিরাপদে সরিয়ে নিচ্ছেন। পরিচয় শনাক্তের পর স্বজনদের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়াও চলছে।

নেপাল সরকারের অনুরোধে জরুরি ভিত্তিতে ৯ জন বিশেষজ্ঞ পাঠিয়েছে চীন, যারা ক্ষতিগ্রস্ত জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের টানেলে আটকে পড়াদের উদ্ধারে সহায়তা করবে।

এদিকে, নতুন সংকটে নেপালের দুর্গতরা। ঘরবাড়ি ও সম্পদ হারিয়ে আশ্রয়শিবিরে থাকা অনেকেই নিয়মিত ওষুধ পাচ্ছেন না। দেখা দিয়েছে নিরাপদ পানির সংকট। হাসপাতালগুলোতে কমে আসছে প্রয়োজনীয় ওষুধ, জ্বালানি ও চিকিৎসাসামগ্রীর মজুত। অপর্যাপ্ত স্যানিটেশনে রোগ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

বিজ্ঞাপন