সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬
ব্রেকিং
জাতীয়

ন্যান্সি গ্রেস রোমান টেলিস্কোপের উৎক্ষেপণ প্রস্তুতি সম্পন্ন

নাসার ন্যান্সি গ্রেস রোমান টেলিস্কোপের উৎক্ষেপণ প্রস্তুতি সম্পন্ন, মহাবিশ্বের রহস্য উন্মোচনে নতুন দিগন্ত খুলবে।

ন্যান্সি গ্রেস রোমান টেলিস্কোপের উৎক্ষেপণ প্রস্তুতি সম্পন্ন

মহাবিশ্বের অদেখা রহস্য উন্মোচনের লক্ষ্যে নাসার নতুন স্পেস টেলিস্কোপ, ন্যান্সি গ্রেস রোমান স্পেস টেলিস্কোপ, উৎক্ষেপণের জন্য প্রস্তুত। এটি যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে স্পেসএক্সের ফ্যালকন হেভি রকেটে করে মহাকাশে পাঠানো হবে। রোববার, ৩০ আগস্ট, স্থানীয় সময় সকাল ৭টা ২৬ মিনিটে এটি উৎক্ষেপণের কথা রয়েছে।

রোমান টেলিস্কোপটি মহাবিশ্বের বিভিন্ন অংশ পর্যবেক্ষণ করবে এবং বিজ্ঞানীদের দীর্ঘদিনের কিছু প্রশ্নের উত্তর খোঁজার চেষ্টা করবে। এর মধ্যে ডার্ক এনার্জি ও ডার্ক ম্যাটার সম্পর্কিত রহস্য উন্মোচন অন্যতম। বিজ্ঞানীরা আশা করছেন, টেলিস্কোপটির মাধ্যমে আগে কখনো দেখা যায়নি এমন গ্যালাক্সি ও এক্সোপ্ল্যানেট খুঁজে পাওয়া যাবে।

নাসার প্রশাসক জ্যারেড আইজ্যাকম্যান বলেন, রোমান পৃথিবীকে মহাবিশ্বের একটি নতুন মানচিত্র দেবে। এটি হাবল স্পেস টেলিস্কোপের চেয়ে এক হাজার গুণেরও বেশি দ্রুত মহাকাশ জরিপ করতে সক্ষম।

রোমান টেলিস্কোপের উৎক্ষেপণের পর এটি নির্ধারিত কক্ষপথে পৌঁছাতে প্রায় তিন মাস সময় লাগবে। টেলিস্কোপটি পৃথিবী থেকে প্রায় ১০ লাখ মাইল দূরে অবস্থান করবে।

গডার্ড স্পেস ফ্লাইট সেন্টারের বিজ্ঞানী জেরেমি পারকিনস জানান, টেলিস্কোপটি প্রতিদিন প্রায় এক টেরাবাইট তথ্য পৃথিবীতে পাঠাতে পারবে। রোমানের মাধ্যমে মহাবিশ্বের নতুন নতুন তথ্য সংগ্রহ করা সম্ভব হবে।

রোমান টেলিস্কোপের নামকরণ করা হয়েছে জ্যোতির্বিজ্ঞানী ড. ন্যান্সি গ্রেস রোমানের নামে, যিনি মহাবিশ্ব পর্যবেক্ষণের ধারণা এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন।

নাসার অ্যাস্ট্রোফিজিকস বিভাগের পরিচালক ড. শন ডোমাগাল-গোল্ডম্যান বলেন, নতুন টেলিস্কোপগুলো মহাবিশ্ব দেখার নতুন সুযোগ তৈরি করছে। রোমানের প্রথম ছবি আগামী বছরের জানুয়ারিতে পাওয়ার আশা করা হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন