চা শ্রমিকদের জীবনের দুঃখ ও সংগ্রামের কথা তুলে ধরেছেন সুনীল বিশ্বাস। তিনি বলেন, "আর কত সহিব জ্বালা, সহে না লো ঝিঙা ফুল, ঘণ্টাটা কলিজায় মারে বাড়ি।"
চা বাগানে কাজ করা শ্রমিকরা প্রতিদিন ভোরে কাজের জন্য বের হন। রোদ-বৃষ্টির মধ্যে কঠোর পরিশ্রমের পর তাদের দৈনিক মজুরি মাত্র ১৮৭ টাকা। এই শ্রমিকদের জন্য জীবনযাপন অত্যন্ত কঠিন, যেখানে তাদের মৌলিক চাহিদা পূরণ করাও কঠিন হয়ে পড়েছে।
১৮০ বছর ধরে এই জনগণ দাসত্বের শৃঙ্খলে আবদ্ধ। ব্রিটিশ শাসনামলে চা চাষ শুরু হলে তাদের নিয়ে আসা হয়েছিল। সেই সময় থেকে তারা মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত। বর্তমানে দেশের ১৭০টি চা বাগানে প্রায় ১৫ লক্ষ চা জনগোষ্ঠী বাস করছে।
মোহন রবিদাস, একজন চা শ্রমিক, বলেন, "আমরা বর্তমানে ৫০০ টাকা মুজুরির দাবি করছি।" তিনি শ্রমিকদের অধিকার আদায়ে ১১ দফা দাবি ঘোষণা করেছেন।
খায়রুন আক্তার, একজন সাহসী নেত্রী, বলেন, "এই মজুরিতে চা শ্রমিকদের জীবন চলে না।" তিনি চা শ্রমিকদের জন্য মৌলিক সুবিধা ও অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবি জানিয়েছেন।
সম্প্রতি, দেশের বিভিন্ন চা বাগানে শ্রমিকরা কর্মবিরতি পালন করে নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য আওয়াজ তুলছেন। প্রশ্ন হচ্ছে, এই বঞ্চিত জনগোষ্ঠী তাদের ন্যায্য দাবি আদায় করতে পারবেন কি না।