শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬
ব্রেকিং
রাজনীতি

আইনশৃঙ্খলা তদারকিতে ৩০ মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী নিয়োগ

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ৩০ জন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীকে আইনশৃঙ্খলা তদারকির দায়িত্ব দিয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা তদারকিতে ৩০ মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী নিয়োগ

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ দেশের ৬৪ জেলায় আইনশৃঙ্খলা, দুর্নীতি ও মাদক নিয়ন্ত্রণসহ সার্বিক পরিস্থিতির উন্নয়ন তদারকিতে ৩০ জন মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও সংসদের হুইপকে দায়িত্ব দিয়েছে। বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এক প্রজ্ঞাপনে এই দায়িত্ব বণ্টনের তথ্য জানানো হয়।

তালিকা অনুযায়ী, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদকে রাজশাহী ও নাটোর, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেনকে লালমনিরহাট, নীলফামারী ও পঞ্চগড়, পরিবেশ ও বনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টুকে লক্ষ্মীপুর, সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরীকে চুয়াডাঙ্গা এবং বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরকে হবিগঞ্জের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীকে মৌলভীবাজার, পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানিকে চট্টগ্রাম, বেসরকারি বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাতকে শেরপুর, ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলুকে ঠাকুরগাঁও ও দিনাজপুরের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানকে খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট, গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহেরকে ফেনী ও নোয়াখালী, স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুলকে মানিকগঞ্জ ও মুন্সিগঞ্জ এবং পার্বত্য বিষয়ক মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরীকে কক্সবাজার জেলার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রীদের মধ্যে শরীফুল আলমকে টাঙ্গাইল ও নরসিংদী, শামা ওবায়েদকে মাদারীপুর ও শরীয়তপুর, অনিন্দ্য ইসলাম অমিতকে মেহেরপুর, কুষ্টিয়া ও ঝিনাইদহ, আব্দুল বারীকে বগুড়া ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ এবং সুলতান সালাউদ্দিন টুকুকে ঢাকা জেলার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

হুইপদের মধ্যে জি কে গউছ পেয়েছেন সিলেট ও সুনামগঞ্জ, মিয়া নূরুদ্দিন আহমেদ অপুকে রাজবাড়ী, ফরিদপুর ও গোপালগঞ্জ এবং এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজানকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা ও চাঁদপুরের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও হুইপরা সংশ্লিষ্ট জেলার সরকারি দপ্তরগুলোকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, মাদকের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচার নিয়ন্ত্রণ, চোরাচালান প্রতিরোধ এবং পুরোনো অপরাধ দমনে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেবেন।

এছাড়া, সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়ন, দারিদ্র্য বিমোচন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিসহ বিভিন্ন উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম তদারকি করবেন। প্রয়োজনে জেলার বিভিন্ন সভায় অংশ নিয়ে পরামর্শও দিতে পারবেন দায়িত্বপ্রাপ্তরা।

বিজ্ঞাপন