জামায়াতে ইসলামী এবং জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) নির্দলীয় প্রতীকে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণের পরিকল্পনা করছে। বিরোধীজোটের শীর্ষ নেতারা সরকার ও নির্বাচন কমিশনের প্রতি সুষ্ঠু নির্বাচনের আহ্বান জানিয়েছেন।
জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ রাখার দাবি করেছেন। তিনি বলেন, "নির্বাচনমুখী দল হিসেবে আমরা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করব। তবে নির্বাচনটি হতে হবে নিরপেক্ষ এবং স্বচ্ছ।"
৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর স্থানীয় প্রশাসন ভেঙে পড়ে এবং সিটি কর্পোরেশন ও জেলা পরিষদসহ বিভিন্ন পর্যায়ে প্রশাসক নিয়োগ দেয় অন্তবর্তী সরকার। পরে বিএনপি সরকার এসব পদের জন্য দলীয় নেতাদের নিয়োগ দেয়।
স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম জানান, সিটি কর্পোরেশন, জেলা পরিষদ, উপজেলা, পৌরসভা ও ইউনিয়নের জন্য ৬ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, জামায়াত ইসলামী নির্দলীয় প্রতীকে নির্বাচনে অংশ নিতে চায়। এনসিপি নেতা আখতার হোসেন দলীয় প্রশাসকদের সরিয়ে সুষ্ঠু ভোটের পরিবেশ তৈরির আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, "জেলা পরিষদ এবং ইউনিয়ন পরিষদে তাদের লোকদের বসানো হয়েছে।"
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী সাংবাদিকদের জানান, এবার স্থানীয় সরকার নির্বাচন হবে নির্দলীয় প্রতীকে।