শনিবার, ১৫ আগস্ট, ২০২৬
ব্রেকিং
অর্থনীতি

বিনিয়োগ আকর্ষণে দ্বিপাক্ষিক চুক্তির দিকে সরকারের নজর

বাণিজ্যে ভারসাম্য আনা ও বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে দ্বিপাক্ষিক চুক্তির দিকে ঝুঁকছে সরকার।

বিনিয়োগ আকর্ষণে দ্বিপাক্ষিক চুক্তির দিকে সরকারের নজর

বাংলাদেশ সরকার বাণিজ্যে ভারসাম্য আনা ও বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে দ্বিপাক্ষিক চুক্তির দিকে ঝুঁকছে। তবে ব্যবসায়ীরা সতর্ক করে বলেছেন, বিদ্যুৎ ও গ্যাসের ঘাটতি, অবকাঠামো দুর্বলতা এবং আমলাতান্ত্রিক জটিলতা দূর না হলে এসব চুক্তির সুফল পাওয়া সম্ভব নয়।

দেশের মোট বাণিজ্যের ৬০ ভাগই কয়েকটি দেশের সঙ্গে হয়ে থাকে, এর মধ্যে ভারত ও চীন থেকে আমদানি সবচেয়ে বেশি। রপ্তানি হচ্ছে মূলত যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের বাজারে। এই ভারসাম্যহীনতা কমাতে সরকার দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তির দিকে ঝুঁকছে। সম্প্রতি বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে কম্প্রিহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপ অ্যাগ্রিমেন্ট স্বাক্ষরিত হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বাণিজ্য অংশীদারত্বের অন্যতম উদ্দেশ্য বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা। এসএমই উদ্যোক্তা রাশেদুল করিম মুন্না বলেন, “সরকারের পরিকল্পনা এবং এনবিআরের পরিকল্পনার মধ্যে সমন্বয়ের বড় চ্যালেঞ্জ রয়েছে।”

বিকেএমইএ’র সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম জানান, “জ্বালানি সংকট এবং আমলাতান্ত্রিক জটিলতা বিনিয়োগের পথে বড় প্রতিবন্ধকতা।”

চুক্তির বাস্তবায়ন ভবিষ্যতে অন্যান্য দেশের সঙ্গে বাণিজ্য সক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করবে। অর্থনীতিবিদ মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, “চুক্তি ভালো, তবে অন্যান্য অনুঘটকগুলোও আমাদেরকে সমাধান করতে হবে।”

নতুন রপ্তানি বাজার খোঁজার পাশাপাশি অর্থনৈতিক জোটগুলোর সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তির বিষয়ে জোর দেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

বিজ্ঞাপন