শনিবার, ১৫ আগস্ট, ২০২৬
ব্রেকিং
রাজনীতি

ট্রাম্পের বলরুম নির্মাণে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন, নিরাপত্তার দাবি

ট্রাম্প বলরুম নির্মাণের অনুমতি চেয়ে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেছেন, নিরাপত্তার দাবি তুলে।

ট্রাম্পের বলরুম নির্মাণে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন, নিরাপত্তার দাবি

হোয়াইট হাউসে একটি বলরুম নির্মাণের অনুমতি চেয়ে মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের কাছে আবেদন করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিরাপত্তার কারণে এই প্রকল্পের অনুমোদন প্রয়োজন বলে দাবি করেছেন তিনি।

১৪ আগস্ট, শুক্রবার, সুপ্রিম কোর্টে করা জরুরি আবেদনে ট্রাম্প উল্লেখ করেছেন যে, তার জীবনের ওপর একাধিক হামলার চেষ্টা এবং জাতীয় নিরাপত্তার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেছেন। প্রায় ৪০ কোটি ডলারের এই প্রকল্পটি শুরুর আগে কংগ্রেসের অনুমোদন প্রয়োজন, যা নিম্ন আদালত একাধিকবার প্রত্যাখ্যান করেছে।

গত সপ্তাহে ওয়াশিংটন ডিসির কোর্ট অব আপিলস জানায়, কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া প্রেসিডেন্ট একতরফাভাবে এই নির্মাণ কাজ চালিয়ে যেতে পারেন না। আদালত হোয়াইট হাউসের সাবেক ইস্ট উইংয়ের স্থানে নির্মাণকাজ বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে। তবে, সুপ্রিম কোর্টে আপিলের সুযোগ দিতে ওই রায়ের বাস্তবায়ন ১৪ দিনের জন্য স্থগিত করা হয়েছে।

মার্কিন সলিসিটর জেনারেল জন সাওয়ার আবেদনটির পক্ষে যুক্তি দিয়েছেন, প্রেসিডেন্টের নিরাপত্তার জন্য ইস্ট উইং এলাকায় নির্মাণকাজ চালানো ‘অত্যন্ত জরুরি’। তিনি বলেন, এই প্রস্তাবিত স্থাপনাটি প্রেসিডেন্টের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

সাওয়ার আরও বলেন, ট্রাম্পের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য কংগ্রেস তাকে যথাযথ ক্ষমতা দিয়েছে। নিম্ন আদালতের নিষেধাজ্ঞা ফেডারেল আদালতের এখতিয়ারের সীমা ছাড়িয়ে ‘বিচারিক হস্তক্ষেপে’ পরিণত হয়েছে।

বলরুম নির্মাণের বিরোধিতা করে গত বছর মামলা করেছে ন্যাশনাল ট্রাস্ট ফর হিস্টোরিক প্রিজারভেশন। গত ৭ আগস্ট, ওয়াশিংটন ডিসি সার্কিট কোর্ট অব আপিলস বলরুমের নির্মাণকাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে। তবে, নিরাপত্তা বাঙ্কার নির্মাণের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বলরুমের নির্মাণ বন্ধ হলে নিরাপত্তা অবকাঠামোর কাজও থেমে যাবে, যা বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রেসিডেন্টদের নিরাপত্তার জন্য হুমকি হতে পারে।

প্রকল্পের নকশা ও নির্মাণের কাজের সঙ্গে ট্রাম্প নিজেই সরাসরি যুক্ত রয়েছেন। এই বলরুমের আয়তন প্রায় ৮৯ হাজার বর্গফুট, যা হোয়াইট হাউসের মূল ভবনের তুলনায় অনেক বড়।

প্রকল্পটি ২০২৮ সালের মধ্যে শেষ করার টার্গেট নিয়েছেন ট্রাম্প। তিনি দাবি করেছেন, এই প্রকল্পের জন্য সরকারি তদারকির প্রয়োজন নেই এবং বড় ধরনের পর্যালোচনা ছাড়াই তিনি এর কাজ চালিয়ে যেতে পারবেন।

বিজ্ঞাপন