গত মাসে তুরস্ক সফর শেষে নিরাপত্তার স্বার্থে গোপনে বিমান বদল করেছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সিএনএন-এর প্রতিবেদনে জানা যায়, ইরানের সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কায় এই নাটকীয় পরিকল্পনা নেওয়া হয়।
ট্রাম্প তুরস্কে ন্যাটো সম্মেলনে অংশগ্রহণ করতে গিয়ে কাতারের উপহার দেওয়া একটি নতুন বিমান ব্যবহার করেন। তবে দেশে ফেরার সময় তিনি পুরোনো এয়ার ফোর্স ওয়ানে উঠেন এবং সেখান থেকে খাবার সরবরাহের একটি ট্রাকে লুকিয়ে ছোট আকারের একটি সামরিক বিমানে স্থানান্তরিত হন।
সাংবাদিক ও কর্মকর্তাদের অজান্তে এই নিরাপত্তা পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল। ট্রাম্পের সফররত সাংবাদিকদের জন্য সাধারণত প্রেস কেবিনের জানালার পর্দা বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়, যা অস্বাভাবিক বলে মনে করা হয়।
ট্রাম্পের নিরাপত্তা পরিকল্পনার এই কৌশল নিয়ে মার্কিন গণমাধ্যমগুলোতে আলোচনা চলছে। তিনি সাংবাদিকদের জানান, বিমান বদলের কারণ ছিল তুরস্কে মার্কিন সেনাদের নতুন বিমানটি ঘুরে দেখানো।
হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র স্টিভেন চিউং বলেন, নতুন এয়ার ফোর্স ওয়ান অত্যাধুনিক প্রযুক্তির বিমান এবং প্রেসিডেন্টের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এতে উচ্চমাত্রার নিরাপত্তা ব্যবস্থা যুক্ত করা হয়েছে।
এদিকে, ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের জয়েন্ট বেস অ্যান্ড্রুজে পৌঁছান। তবে এই গোপন বিমান বদলের পেছনে কী ধরনের হুমকি ছিল, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।