গত মাসে তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় ন্যাটো সম্মেলনে যোগ দিতে গিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে খাবারের ট্রাকে লুকিয়ে পালাতে হয়েছিল।
এটি একটি গোপন অপারেশন ছিল, যা ইরান থেকে ট্রাম্পকে হত্যার একটি বিশ্বাসযোগ্য হুমকির কারণে পরিচালিত হয়। এই ঘটনার সময় ট্রাম্পকে বিমানবন্দরের ক্যাটারিং ট্রাকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।
সাংবাদিকদের সামনে ট্রাম্পকে পুরোনো এয়ারফোর্স ওয়ানে ওঠতে দেখা গেলেও, কয়েক মিনিট পরেই তিনি ওই বিমান থেকে গোপনে বের হয়ে একটি সি-৩২এ মডেলের ছোট সামরিক বিমানে উঠেন।
এদিকে, সাংবাদিকরা তখনও পুরোনো বিমানেই ছিলেন এবং ভাবছিলেন যে ট্রাম্প তাদের সঙ্গেই আছেন। তবে বাস্তবে তিনি অন্য বিমানে রওনা হন ব্রিটেনের উদ্দেশ্যে।
হোয়াইট হাউসের কিছু কর্মীর কাছেও ট্রাম্পের আসল অবস্থান গোপন রাখা হয়েছিল। সাংবাদিকদের জানালার শেড বন্ধ রাখতে বলা হয়েছিল যাতে তারা বাইরে কী ঘটছে তা দেখতে না পারে।
এই ঘটনার মাধ্যমে স্পষ্ট হয় যে, ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতের তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নিরাপত্তা ঝুঁকি বৃদ্ধি পেয়েছে। ট্রাম্পের নিরাপত্তার জন্য এমন এক কৌশল গ্রহণ করা হয়েছে, যা অনেকের কাছে অবিশ্বাস্য মনে হতে পারে।