বাংলাদেশ ব্যাংক বিদেশে অর্থ পাচারকারী ৪২টি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু করেছে। বিএফআইইউ'র সনাক্তকৃত এই প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ২০০ কোটি টাকার বেশি ঋণ নিয়ে খেলাপি হয়েছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক আলাদাভাবে চিহ্নিত করছে সেই ঋণের অর্থ, যেগুলো বিদেশে পাচার হয়েছে। কিছু ঋণের ক্ষেত্রে ব্যবসার অস্তিত্ব নেই, আবার কিছু ঋণের অর্থ বিদেশে সরানোর তথ্য পাওয়া যাচ্ছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক আন্তর্জাতিকভাবে অভিজ্ঞ আইনি প্রতিষ্ঠানের সহায়তা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যাতে বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ দেশে ফেরানো যায়। সফল হলে, উদ্ধারকৃত অর্থের একটি অংশ পারিশ্রমিক হিসেবে দেওয়া হবে।
এর আগে, বাংলাদেশ ব্যাংক শেখ হাসিনাসহ ১১ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে শনাক্ত করে ৭০ থেকে ৮০ হাজার কোটি টাকা পাচারের তথ্য প্রকাশ করেছিল।