ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র ও গোলাবারুদের মজুত কমে যাওয়ার তথ্য প্রকাশিত হওয়ায় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হতাশা প্রকাশ করেছেন। মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, এই পরিস্থিতি ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান পরিচালনার ক্ষেত্রে জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে।
৭ আগস্ট, শুক্রবার, জেরুজালেম পোস্টের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, মার্কিন অস্ত্রভাণ্ডারে গুরুত্বপূর্ণ কিছু গোলাবারুদের মজুত কমে যাওয়ার খবরের কারণে ট্রাম্প ব্যক্তিগতভাবে ক্ষুব্ধ হয়েছেন। তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন যে, এই তথ্য প্রকাশের ফলে যুক্তরাষ্ট্র দুর্বল হিসেবে প্রতিস্থাপিত হতে পারে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ট্রাম্প গত সপ্তাহে ক্যাম্প ডেভিডের মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই বিষয়টি উত্থাপন করেন। তিনি গণমাধ্যমে অস্ত্রভাণ্ডারের সংকট নিয়ে আলোচনার কারণে বিশেষভাবে ক্ষুব্ধ ছিলেন।
সিএনএন জানায়, ট্রাম্প কয়েক মাস ধরেই অস্ত্রের সম্ভাব্য সংকট সম্পর্কে অবহিত ছিলেন। তার ক্ষোভের মূল কারণ হচ্ছে এই তথ্যের প্রকাশ এবং জনসমক্ষে এর আলোচনা।
ট্রাম্প বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে একটি পোস্টে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রভাণ্ডার নিয়ে আত্মপক্ষ সমর্থন করেন। তিনি দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ রয়েছে এবং আরও অস্ত্র উৎপাদন করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, প্রতিরক্ষা কোম্পানিগুলো যুক্তরাষ্ট্রে অস্ত্র কারখানা ও উৎপাদন কেন্দ্র তৈরি করছে। তবে তিনি স্বীকার করেছেন, কিছু নির্দিষ্ট অস্ত্রের সরবরাহ সীমিত।
ট্রাম্প তথ্য ফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকি দিয়েছেন এবং তাদের ‘দীর্ঘমেয়াদি কারাদণ্ড’ হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন। তিনি বিচার বিভাগকে নির্দেশ দিয়েছেন ফাঁসকারীদের শনাক্ত করতে।
এদিকে, মার্কিন প্রশাসনের ভেতর থেকে অস্ত্রের মজুত নিয়ে তথ্য প্রকাশের বিষয়টি নিয়ে ট্রাম্পের ক্ষোভ রয়েছে, তবে প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের প্রতি তার কোনো অভিযোগ নেই।