সোমবার, ০৩ আগস্ট, ২০২৬
ব্রেকিং
জাতীয়

নেদারল্যান্ডস ও চীনের সহায়তায় তিস্তা প্রকল্পে নদী রক্ষণাবেক্ষণের গুরুত্ব

নেদারল্যান্ডস এবং চীন তিস্তা প্রকল্পে কারিগরি সহায়তা দেবে, নদী রক্ষণাবেক্ষণে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

নেদারল্যান্ডস ও চীনের সহায়তায় তিস্তা প্রকল্পে নদী রক্ষণাবেক্ষণের গুরুত্ব

বাংলাদেশের পানি সম্পদ মন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরি এ্যানি জানিয়েছেন, নেদারল্যান্ডস তিস্তা মহাপরিকল্পনা যাচাইয়ে কারিগরি সহায়তা দেবে। তিনি বলেন, সরকার স্যাটেলাইট সিটি তৈরির পরিকল্পনা থেকে সরে এসেছে এবং নদী রক্ষণাবেক্ষণে গুরুত্ব দিচ্ছে।

মন্ত্রী জানান, প্রকল্প বাস্তবায়নে অনুদান গ্রহণে সরকারের আপত্তি নেই। ২০১৬ সালে চীন তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়ে কাজ শুরু করে। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় সই হওয়া সমঝোতার আওতায় চীন কারিগরি সহায়তা ও ঋণ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

প্রকল্পের জন্য প্রায় ৮ হাজার কোটি টাকা খরচের পরিকল্পনা করা হয়েছে, যা তিস্তা রিভার কমপ্রিহেনসিভ ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড রেস্টোরেশন মহাপরিকল্পনার আওতায়। মন্ত্রী জানান, প্রকল্পের নকশা পূর্ব চীনের জিয়াংসু প্রদেশের সুকিয়ান সিটির আদলে তৈরি করা হয়েছে।

তিস্তার দুই পাড়ে পরিকল্পিত স্যাটেলাইট শহর, নদী খনন, ভাঙন প্রতিরোধ ব্যবস্থা, আধুনিক কৃষি সেচ ব্যবস্থা, মাছ চাষ প্রকল্প, এবং পর্যটন কেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। মন্ত্রী বলেন, এতে ৭ থেকে ১০ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এদিকে, বিএনপি সরকারের পক্ষ থেকে বড় স্বপ্ন থেকে সরে আসার কথা বলা হয়েছে। মন্ত্রী এ্যানি জানান, নদী ভাঙন রোধ এবং পানিকে ধরে রাখার বিষয়টি সাধারণ মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

মন্ত্রী আরও বলেন, আপাতত শুষ্ক মৌসুমে নদীর অববাহিকায় পানি সংরক্ষণ, ড্রেজিং, বন্যা ও ভাঙন কমানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে। প্রকল্প যাচাই-বাছাইয়ে নেদারল্যান্ডসসহ বেশ কয়েকটি দেশের কারিগরি সহায়তা নেওয়া হবে।

তিনি জানান, চীন একটি স্টাডি করেছে, কিন্তু সেটি পূর্ণাঙ্গ নয়। নেদারল্যান্ডস এবং চীন বাংলাদেশকে প্রয়োজন অনুযায়ী সহায়তা দিতে প্রস্তুত রয়েছে। সরকার ৬ মাসের মধ্যে যাচাই-বাছাই শেষ করে তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ শুরু করতে চায়।

বিজ্ঞাপন