যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কূটনৈতিক আলোচনার মাঝে হঠাৎ করেই ইরান একটি সামরিক হামলা চালিয়েছে। এই হামলাকে মার্কিন বাহিনী 'সারপ্রাইজ অ্যাটাক' হিসেবে বর্ণনা করেছে।
মার্কিন কেন্দ্রীয় কমান্ডের তথ্য অনুযায়ী, ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়ে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত মার্কিন সামরিক ঘাঁটির দিকে। হামলার মূল লক্ষ্য ছিল জর্ডানে অবস্থিত একটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটি।
মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, হামলার সময় মার্কিন বাহিনী নিজেদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহার করে সকল ক্ষেপণাস্ত্র মাঝআকাশে ভূপাতিত করতে সক্ষম হয়েছে। তবে হামলার সময়ের গুরুত্ব নিয়ে বিশ্লেষকরা মন্তব্য করেছেন যে, এটি একটি শক্তিশালী রাজনৈতিক বার্তা।
হামলার কয়েক ঘণ্টা আগে ট্রাম্প ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন, যেখানে আলোচনা ইতিবাচক ছিল বলে জানানো হয়। কিন্তু হামলার মাধ্যমে ইরান তাদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে যে, তারা যুদ্ধের ময়দানে ফিরে আসতে প্রস্তুত।
বিশ্লেষকদের মতে, এই হামলা কেবল সামরিক নয় বরং রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটেও গুরুত্বপূর্ণ। মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি এখনো উত্তেজনাপূর্ণ, এবং ট্রাম্পের কূটনীতি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে।