২০১৮ সালের নির্বাচন থেকেই বাংলাদেশ ধ্বংস হওয়া শুরু হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার এবং সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।
জাহেদ উর রহমান জানান, ২০১৮ সালের নির্বাচনের বিচার না হলে এটি একটি অবিচার হবে। তিনি বলেন, "২০১৮ সালের নির্বাচনের বিচার না করলে খারাপ হবে।" তিনি ২০০৮ সালের নির্বাচন সম্পর্কেও পর্যালোচনার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন।
এছাড়া, ২০১৮ সালের নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করা ৩২ জন জেলা প্রশাসককে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর বিষয়ে তিনি বলেন, "২৫ বছর হলে যে কাউকে অবসরে পাঠাতে পারে সরকার," এবং এদের সকলেই ২০১৮ সালের নির্বাচনে ডিসি ছিলেন। তবে, তিনি উল্লেখ করেন যে, ২০১৮ সালের নির্বাচন নিয়ে সরকার কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।
তিনি আরও জানান, রাষ্ট্রপতি স্বাস্থ্যগত কারণে পদত্যাগ করেছেন এবং পদে থাকাকালীন তিনি আইনগত কোনো সমস্যা ফেস করবেন না। তবে পদত্যাগের পর তিনি আইনগত বিষয়ে সম্মুখীন হতে পারেন।
বর্তমান খাদ্য মজুত ইতিহাসের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে বলেও তিনি জানান। সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা বৃদ্ধি করেছে এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয় রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা ৬৩.৪৪ নির্ধারণ করেছে।
জাহেদ উর রহমান বলেন, গ্যাস সংকট বিদ্যমান এবং এফএসআরইউ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সরকার এ সংকট সমাধানে কাজ করছে, তবে পূর্ববর্তী সরকারের সিদ্ধান্তহীনতার কারণে বর্তমান সংকট সৃষ্টি হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে আরোপিত ১০ শতাংশ শুল্ক নিয়ে আলোচনা হলেও মূল শুল্ক আগের চেয়ে বেশি নয়, বলেন তিনি।