শুক্রবার, ২১ আগস্ট, ২০২৬
ব্রেকিং
জাতীয়

বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির সুবিধা ও ক্ষমতা: একটি পর্যালোচনা

বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির সুবিধা ও ক্ষমতা নিয়ে বিস্তারিত তথ্য জানানো হলো।

বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির সুবিধা ও ক্ষমতা: একটি পর্যালোচনা

বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতিকে সাংবিধানিকভাবে রাষ্ট্রের অন্য সব ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বে স্থান দেওয়া হয়েছে। রাষ্ট্রের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম রাষ্ট্রপতির নামেই পরিচালিত হয়।

বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী ও প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি নিজস্ব সাংবিধানিক ক্ষমতার অধিকারী। তবে অন্যান্য দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ নিতে হয়।

সংবিধানের ৪৯ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি আদালত বা ট্রাইব্যুনালের দেওয়া দণ্ড মার্জনা, স্থগিত, হ্রাস বা মওকুফের ক্ষমতা রাখেন। রাষ্ট্রপতির জন্য বেশ কিছু সুযোগ-সুবিধা বিদ্যমান, যার মধ্যে রয়েছে বঙ্গভবন, বেতন-ভাতা, পরিবহন ও চিকিৎসার সুবিধা।

রাষ্ট্রপতির মাসিক সম্মানী ১ লাখ ২০ হাজার টাকা, যা আয়করমুক্ত। রাষ্ট্রপতির আপ্যায়ন বা বিনোদনের জন্য বার্ষিক ভাতার ব্যবস্থা রয়েছে, যা নিরীক্ষা মুক্ত।

রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবন তথা বঙ্গভবনের সাজসজ্জা ও রক্ষণাবেক্ষণের ব্যয় রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে বহন করা হয়। রাষ্ট্রপতি সরকারি কাজে বিদেশ সফরের জন্য নির্ধারিত হারে ভাতাও পেয়ে থাকেন।

রাষ্ট্রপতির স্বেচ্ছাধীন তহবিল নামে একটি বিশেষ তহবিল রয়েছে, যার জন্য বাৎসরিক দুই কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। রাষ্ট্রপতি এই অর্থ বিভিন্ন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সহায়তায় ব্যয় করতে পারেন।

রাষ্ট্রপতি ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা দেশের যেকোনো হাসপাতালে বিনা খরচে চিকিৎসার সুবিধা পান, এবং বিদেশে চিকিৎসার প্রয়োজন হলে সেই ব্যয়ও সরকার বহন করে। রাষ্ট্রপতির জন্য বছরে ২৭ লাখ টাকা বিমান সুবিধার বরাদ্দ রয়েছে।

এছাড়া, ২০ আগস্ট দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। দুপুর ১ টা থেকে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত সংসদ ভবনে এই ভোটগ্রহণ চলে। সরকারি দলের প্রার্থী হিসেবে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও বিরোধী দলের প্রার্থী হিসেবে কর্ণেল অলি আহমদ প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন।

বিজ্ঞাপন