বিশ্বের শ্রমবাজারে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তির দ্রুত অগ্রগতির ফলে বড় ধরনের পরিবর্তন আসার আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। আসন্ন অর্থনৈতিক বিপর্যয় ও ব্যাপক কর্মী ছাঁটাই মোকাবিলায় সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়নে বিশ্বনেতাদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিজিটাল ইকোনমি ল্যাবের উদ্যোগে প্রকাশিত এক খোলা চিঠিতে ১৬ জন নোবেল বিজয়ীসহ ২০০ জনেরও বেশি অর্থনীতিবিদ ও প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ এ বিষয়ে সতর্কবার্তা দিয়েছেন।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, আগামী এক দশকে শিল্প বিপ্লবের চেয়ে বড় প্রভাব ফেলবে এআই প্রযুক্তি, যা খুব দ্রুত ঘটবে। তাই পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকতে হবে বিশ্ববাসীকে।
বিশেষজ্ঞরা এআই-কে মানুষের দক্ষ সহযোগী ও সমাজের উপকারী প্রযুক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার পরামর্শ দিয়েছেন। তাঁদের মতে, নতুন প্রযুক্তির বিকাশে জীবনযাত্রার উন্নতি হলেও, বিশ্বজুড়ে কর্মী ছাঁটাই ও অর্থনৈতিক অস্থিতিশীলতার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।
শিল্পখাতে প্রয়োজনীয় প্রণোদনা এবং কর্মীদের চাকরির সুরক্ষায় এখনই কঠোর নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজন বলে উল্লেখ করা হয়েছে। সম্প্রতি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে জেনারেটিভ এআই ও এআই এজেন্ট নিয়োগের পর কর্মী ছাঁটাইয়ের ঘোষণায় সমালোচনার ঝড় ওঠে।
বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, আজকের শিক্ষার্থীরাও ভবিষ্যতে শ্রমবাজারে বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে। তাই সম্ভাব্য বিশৃঙ্খলা মোকাবিলা ও এআই'র কারণে সৃষ্ট বৈষম্য নিরসনে পদক্ষেপ নিতে বিশ্বনেতাদের তাগিদ দিয়েছেন তাঁরা।