সাভারের ট্যানারিগুলোতে তীব্র গ্যাস সংকটের কারণে কাঁচা চামড়া প্রক্রিয়াজাত করা যাচ্ছে না। এর ফলে মেশিনপত্র চালু করা সম্ভব হচ্ছে না এবং শিল্প মালিকরা বাধ্য হয়ে শিল্প মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়েছেন।
গ্যাসের অভাবে উৎপাদন বন্ধ রাখতে হচ্ছে বেশিরভাগ ট্যানারিতে, যা আর্থিক ক্ষতির ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। নির্ধারিত সময়ে বিদেশে পণ্য সরবরাহ নিয়েও চরম অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়েছে। অনেক রপ্তানি আদেশ বাতিল হওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
সালমা ট্যানারির শ্রমিকরা জানিয়েছেন, দীর্ঘ এক মাস ধরে গ্যাসের অভাব চলমান। তারা বলেন, "গ্যাসের কারণে ট্যানারি প্রায় বন্ধের মুখে। এতে কোম্পানির অনেক টাকা ক্ষতি হচ্ছে।"
ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি শাখাওয়াত উল্লাহ বলেন, "আমাদের কাস্টমাররা যদি এখান থেকে চলে যায়, পরবর্তীতে তাদের ফিরিয়ে আনা খুবই কষ্টকর হবে। গ্যাসের প্রয়োজনীয়তা আমাদের উৎপাদনে অপরিসীম।"
শিল্প সচিব আব্দুন নাসের খান জানিয়েছেন, গ্যাস সংকট সমাধানের দায়িত্ব জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের। তিনি বলেন, "জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের সাথে আমাদের সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রয়েছে।"
বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, ট্যানারি শিল্পে পর্যাপ্ত জ্বালানি নিশ্চিত না হলে তা সামগ্রিক রপ্তানি বাণিজ্যে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। লেদার ওয়ার্কিং গ্রুপের সাবেক অডিটর আফজাল হোসাইন বলেন, "জ্বালানী নিশ্চয়তা সমন্বয় করতে পারলেই বিদেশি বিনিয়োগ এবং দেশি উৎপাদন ঠিক থাকবে।"
চামড়া শিল্প নগরীতে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি নিশ্চিতে সৌর বিদ্যুতে জোর দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন খাত সংশ্লিষ্টরা।