বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬
ব্রেকিং
ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের তাণ্ডব, সতর্কতা জারি সুদানের ন্যালে ড্রোন হামলায় ২১ নিহত, ৪০ আহত ঘূর্ণিঝড় অর্ণব: অতি প্রবল অবস্থায় পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে লরি চাপায় নিহত ৫, আহত ৪ সাগরে ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’, প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে ফ্রান্সে জাতিগত হামলায় নিহত ১, আহত ৫, মুসলিমদের বিরুদ্ধে ঘৃণা বাড়ছে জর্ডানে গির্জায় সন্ত্রাসী হামলায় ৭ জন নিহত, ৩ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক পাবনায় শিশু শিক্ষার্থীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মাদরাসা পরিচালক আটক তিব্বতে ৭ মাত্রার ভূমিকম্পে ১৮ জনের মৃত্যু ৭ মাত্রার ভূমিকম্পে তিব্বতে ১৬ জনের মৃত্যু, জরুরি অবস্থা জারি
জাতীয়

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার অভিযোগ

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরিতে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে রাকসুর নেতাদের বিরুদ্ধে।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার অভিযোগ

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরিতে ঢুকে তিন শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে রাকসুর জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। সোমবার বিকেলে এই ঘটনা ঘটে।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, রবিবার সংস্কৃত বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী মহসিন আলমের বিরুদ্ধে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ তোলেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবর রহমান মহসিনের সঙ্গে আলোচনা করেন। এ সময় আনাস, হাসিব ও মাহমুদুল হাসানসহ কয়েকজন সেখানে উপস্থিত ছিলেন। মহসিন অভিযোগ অস্বীকার করেন, যা নিয়ে প্রক্টরের সঙ্গে কথা-কাটাকাটি হয়।

সোমবার প্রক্টর আবারও একটি সভা ডাকেন। ওই সভায় আনাসকে ছাত্রলীগ কর্মী হিসেবে অভিযুক্ত করেন সালাহউদ্দিন আম্মার ও তার সহযোগীরা। পরে আনাসের মোবাইল ফোনে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতাদের সঙ্গে ছবি খুঁজে বের করেন তারা।

এ সময় আম্মার ও সালমান সাব্বির আনাসকে মারধর করেন। অভিযোগ রয়েছে, এর পর আনাস, হাসিব ও মাহমুদুল রাকসু ভবনে হামলা চালান, যাতে রাকসুর তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক বি এম নাজমুস সাকিব আহত হন।

রাকসু নেতারা কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে অবস্থান নেন, যেখানে সালাহউদ্দিন আম্মারসহ ছাত্রশিবিরের নেতারা উপস্থিত হন। দুই পক্ষের মধ্যে তর্কবিতর্ক শুরু হলে আম্মার ইটপাটকেল নিক্ষেপ শুরু করেন। প্রক্টর তাদের পাঠকক্ষে নিয়ে গেলে শিবির ও রাকসু নেতারা সেখানে প্রবেশ করে শিক্ষার্থীদের মারধর করেন।

লাইব্রেরিতে থাকা অন্যান্য শিক্ষার্থীদের ওপরও হামলা হয়। আহত শিক্ষার্থীদের উদ্ধার করতে পুলিশ ও প্রক্টরিয়াল বডি সহায়তা করে। গুরুতর আহত মাহমুদুল হাসানকে হাসপাতালে পাঠানো হয়।

হামলার প্রতিবাদ জানিয়ে পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী হেলাল উদ্দীন বলেন, 'অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা করা হয়েছে।' হামলার শিকার আনাস জানান, 'আমার ওপর ২০০টিরও বেশি আঘাত করা হয়েছে।'

শাখা ছাত্রশিবিরের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান হামলার দায় অস্বীকার করেছেন। রাকসুর জিএস আম্মার অভিযোগ করেন, 'ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা আমাদের ওপর হামলা করেছে।'

শাখা ছাত্রদলের সভাপতি সুলতান আহমেদ রাহী এই হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেন, 'লাইব্রেরির মতো পবিত্র স্থানে হামলার তীব্র নিন্দা জানাই।'

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই ঘটনার বিষয়ে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

বিজ্ঞাপন