গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার পাইককান্দি গ্রামে সোমবার সকালে বি. এম. মাহামুদুল ইসলাম (৩৮) নামে এক পুলিশ কর্মকর্তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি খাগড়াছড়ির মহালছড়ি এপিবিএন-৬–এ উপ–পরিদর্শক (সশস্ত্র) পদে কর্মরত ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহতের স্ত্রী ফাতেমা কানিজ এবং শ্বশুর কবিরুল ইসলাম ওরফে ঝুনু শেখকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। নিহতের পরিবার অভিযোগ করেছে যে, স্ত্রী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন তাকে হত্যা করে পুকুরে ফেলে রেখেছে।
নিহতের বড় ভাই বি. এম. আশিকুজ্জামান বলেন, “আমার ভাইয়ের স্ত্রী বাবার বাড়িতে থাকতেন। ছুটিতে আসার পর শ্যালককে বিদেশে পাঠানোর জন্য টাকা দাবি করায় তাদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়।”
তিনি আরও দাবি করেন, “শ্বশুরবাড়ির লোকজন তাকে হত্যা করে পুকুরে ফেলে দিয়েছে।” নিহতের ছোট বোন নাদিরা সুলতানা জানান, “আমার ভাবি পূর্বে দুইবার খাবারের সঙ্গে বিষ মিশিয়ে মারতে চেয়েছিলেন।”
গোপালগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম বলেন, “ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। পরিবারের অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”