রাজধানীজুড়ে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় গ্যাস সংকট দেখা দিয়েছে। রোববার (২৬ জুলাই) সকাল থেকে বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে ভোগান্তির চিত্র দেখা যাচ্ছে।
ফিলিং স্টেশনগুলোতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও পর্যাপ্ত গ্যাস মিলছে না। সিএনজিচালিত যানবাহনের চালকরা জানান, ভোররাত থেকে তারা লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন, কিন্তু সময়মতো গ্যাস না পাওয়ায় তাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে।
গ্যাস সংকটের কারণে চালকদের আয়-রোজগারেও প্রভাব পড়েছে। একই পরিস্থিতি বাসাবাড়িতেও লক্ষ্য করা যাচ্ছে। রান্নার জন্য গ্যাস না পাওয়ায় অনেকেই সমস্যায় পড়েছেন।
পাম্প কর্তৃপক্ষ জানায়, গ্যাসের চাপ কম থাকায় চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ সম্ভব হচ্ছে না। পেট্রোবাংলা জানিয়েছে, গত মঙ্গলবার মহেশখালীর এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনালে আগুন লাগার পর থেকে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রয়েছে।
তবে বৃহস্পতিবার থেকে টার্মিনালে কাজ শুরু করেছে যুক্তরাজ্য ও আরব আমিরাত থেকে আসা বিশেষজ্ঞ দল। পেট্রোবাংলা আরও জানায়, প্রতিদিন সরবরাহ করা মোট গ্যাসের ৩৫ থেকে ৪০ শতাংশ এলএনজি থেকে আসে। দেশে গ্যাসের দৈনিক চাহিদা ৩৮০ কোটি ঘনফুট, কিন্তু গত বছর থেকে গড়ে ২৭০ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে।