দিল্লিতে চলমান ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র (সিজেপি) আন্দোলন শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ প্রশ্নে আরও জোরালো হয়ে উঠেছে। এই আন্দোলন এখন ভারতের জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।
কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের পদত্যাগসহ পাঁচ দফা দাবি জানিয়েছেন। তিনি বলেন, "শিক্ষা সংস্কার ও পরীক্ষায় অনিয়মের বিরুদ্ধে আমাদের দাবি স্পষ্ট।"
অন্যদিকে, ক্ষমতাসীন বিজেপি নেতারা অভিযোগ তুলেছেন যে, সাধারণ শিক্ষার্থীদের রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করা হচ্ছে।
দিল্লিজুড়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির অজুহাতে ১৪৪ ধারা জারি করা হলেও, বুধবার শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ অব্যাহত রেখেছে।
ভারতের সুপ্রিম কোর্ট শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের বলপ্রয়োগের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে করা আবেদন খারিজ করে দিয়েছে।
এদিকে, কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান সংসদে পরীক্ষার অনিয়ম ও তরুণদের উদ্বেগ নিয়ে আলোচনা এবং বিতর্কের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
বিরোধী দলগুলো সরকারের কাছে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার বিষয়ে কঠোর জবাবদিহি দাবি করেছে।
শিক্ষার্থীদের ওপর হামলাকারী পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়ে রাহুল গান্ধী বলেন, "আমাদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।"
কেন্দ্রীয় সরকারের তরফ থেকে শিক্ষার্থীদের সমস্যার দ্রুত সমাধানে আলোচনা করার আগ্রহ প্রকাশ করা হয়েছে।