সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) গাজী নজরুল ইসলামকে নৈতিক স্খলনের দায়ে জামায়াতে ইসলামী থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এই ঘটনার পর তার নিজ আসন শ্যামনগর সদরে সাধারণ মানুষের মধ্যে মিষ্টি বিতরণ করতে দেখা গেছে।
জামায়াতের সাধারণ সমর্থকরা শুধু বহিষ্কার নয়, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিরও দাবি করেছেন। এমপির বহিষ্কারের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর উপজেলা জামায়াত কার্যালয়ে থমথমে পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়।
শ্যামনগর উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক সোলায়মান কবির বলেন, “নৈতিক স্খলনের জন্য তাকে বহিষ্কার করায় জামায়াতকে ধন্যবাদ জানাই।” তবে তিনি মনে করেন, এটি যথেষ্ট নয় এবং এমপিকে দলীয় পদ থেকে অপসারণের আহ্বান জানান।
সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আজিজুর রহমান জানান, “কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তকে আমরা স্বাগত জানিয়েছি। জামায়াতে ইসলামী একটি নৈতিক সংগঠন এবং সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে।” তিনি বিশ্বাস করেন, দলের ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধার হবে।
এর আগে, গাজী নজরুল ইসলামের পদত্যাগের দাবিতে সচেতন নাগরিক সমাজের ব্যানারে বিক্ষোভ-সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। গত বুধবার (২২ জুলাই) দুপুরে শ্যামনগর উপজেলার প্রধান সড়ক ঘুরে প্রেসক্লাব চত্বরে গিয়ে শেষ হয় মিছিলটি, যেখানে এমপির কুশপুত্তলিকা দাহ করা হয়।
প্রসঙ্গত, গত সোমবার রাত থেকে গাজী নজরুল ইসলামের ‘ব্যক্তিগত মুহূর্তের’ একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, যেখানে তাকে এক তরুণীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ অবস্থায় দেখা যায়।