কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের ছাত্রী ও নাট্যকর্মী সোহাগী জাহান তনু হত্যা মামলায় নতুন করে দুই সন্দেহভাজন সাবেক সেনাসদস্যের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার, পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) পরিদর্শক মো. তারিকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন। ১৭ জুলাই কুমিল্লার ১ নম্বর আমলি আদালতের বিচারক মুমিনুল হক সন্দেহভাজন সাবেক সেনাসদস্য জাহিদুল ইসলাম ও ফয়সাল আহমেদ রাব্বীর ডিএনএ সংগ্রহের অনুমতি দেন।
জাহিদুল ইসলাম সিরাজগঞ্জ জেলার মেঘাই গ্রামের সোলায়মান হোসেনের ছেলে এবং ফয়সাল আহমেদ রাব্বী কুমিল্লার রাজাপাড়া লক্ষ্মীনগর গ্রামের এম এ হান্নানের ছেলে। তদন্তের স্বার্থে আদালতের কাছে আবেদন করা হলে আদালত এ নির্দেশ দেন।
এর আগে, মামলার অন্য সন্দেহভাজন অবসরপ্রাপ্ত সার্জেন্ট জাহিদুজ্জামান, ওয়ারেন্ট অফিসার হাফিজুর রহমান ও সৈনিক শাহিনুল আলমের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করে ক্রস-ম্যাচ করা হয়েছিল।
এদিকে, তনু হত্যা মামলার প্রধান সন্দেহভাজন অবসরপ্রাপ্ত সার্জেন্ট জাহিদুজ্জামান ও সাবেক সেনাসদস্য শাহিন আলমের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলে রেড নোটিশ জারির নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, শাহিন আলম কুয়েতে অবস্থান করছেন এবং জাহিদুজ্জামানের অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
এই মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া একমাত্র আসামি হাফিজুর রহমান বর্তমানে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে রয়েছেন। উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ২০ মার্চ সন্ধ্যায় কুমিল্লা সেনানিবাসের ভেতরে একটি বাসায় টিউশনি করতে গিয়ে সোহাগী জাহান তনু আর বাসায় ফেরেননি। পরে সেনানিবাসের পাওয়ার হাউসের অদূরে একটি ঝোপ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।