মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬
ব্রেকিং
শিক্ষা

মৃত্যুর ১৪ বছর পরও সমাদৃত হুমায়ূন আহমেদ

হুমায়ূন আহমেদের প্রয়াণ দিবসে ১৪ বছর পরও তাঁর সাহিত্য সমাদৃত।

মৃত্যুর ১৪ বছর পরও সমাদৃত হুমায়ূন আহমেদ

আজ নন্দিত কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার ও চলচ্চিত্রকার হুমায়ূন আহমেদের প্রয়াণ দিবস। ২০১২ সালের ১৯ জুলাই নিউইয়র্কের বেলভিউ হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

গবেষক ও প্রকাশকরা জানাচ্ছেন, মৃত্যুর ১৪ বছর পরও হুমায়ূন আহমেদ সমান জনপ্রিয়। তাঁর লেখা বই এখনো বইমেলায় সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয়। আধুনিক বাংলা কথাসাহিত্যে নতুন ধারার স্রষ্টা হিসেবে পরিচিত হুমায়ূন আহমেদ সাধারণ মধ্যবিত্ত জীবনের নিখুঁত চিত্রায়ণ করেছেন, যা পাঠকদের হৃদয় ছুঁয়ে গেছে।

হিমু, মিসির আলী, শুভ্রের মতো কাল্পনিক চরিত্রগুলো বাঙালি তরুণদের ফ্যান্টাসির অংশ হয়ে উঠেছে। স্বাধীনতা-উত্তর সাহিত্যিকদের মধ্যে হুমায়ূন আহমেদের সৃষ্টি পাঠকদের মুগ্ধ করেছে। তাই, মৃত্যুর প্রায় দেড় দশক পরেও তিনি বইমেলা, পাঠচক্র ও ডিজিটাল মাধ্যমে প্রাসঙ্গিক রয়েছেন।

অন্যপ্রকাশের প্রধান নির্বাহী মাজহারুল ইসলাম বলেন, ‘মানুষের জীবনকে পাঠ করার অসাধারণ ক্ষমতা তার মধ্যে ছিল। এখনো তার লেখা সবচেয়ে জনপ্রিয়। এটি আরও ৫০ থেকে ১০০ বছর স্থায়ী হবে।’

হুমায়ূন আহমেদের প্রকাশিত তিন শ’র বেশি বইয়ের অর্ধেকই উপন্যাস। তাঁর লেখায় গভীর বিষাদের সাথে রসবোধের মিশ্রণ বাংলা সাহিত্যে তাঁকে অনন্য স্থানে নিয়ে গেছে। তবে সাহিত্য-সমালোচকরা মনে করেন, তাঁর ছোট উপন্যাস নিয়ে আলোচনা কম হয়েছে।

বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক ড. মোহাম্মদ আজম বলেন, ‘হুমায়ূন আহমেদের লেখার যে ভ্যারাইটি, এটি অতুলনীয়। তাঁর বেশ কিছু ছোট উপন্যাস রয়েছে যা অসাধারণ, কিন্তু আলোচনার বাইরে রয়ে গেছে।’

হুমায়ূন আহমেদ বাংলা সাহিত্যের পাঠক সৃষ্টিতে বিস্ময়কর ভূমিকা রেখেছেন এবং নিজস্ব পাঠক বলয় গড়েছেন। তিনি শুধু সাহিত্যে নয়, নাটক ও চলচ্চিত্রের নতুন ধারাও সৃষ্টি করেছেন।

বিজ্ঞাপন