২০২৬ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে হারানোর পর ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ (মালভিনাস) নিয়ে রাজনৈতিক বার্তা সম্বলিত ব্যানার প্রদর্শনের ঘটনায় আর্জেন্টিনা ফুটবল দলকে সমর্থন জানিয়েছে হোয়াইট হাউস।
হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার অধিকার রয়েছে এবং খেলোয়াড়দের এই ধরনের বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ ও অধিকার রয়েছে। বুধবার (১৫ জুলাই) ইংল্যান্ডকে হারানোর পর আর্জেন্টিনার কয়েকজন খেলোয়াড় 'Las Malvinas son Argentinas' লেখা একটি ব্যানার প্রদর্শন করেন।
বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা এই ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে, কারণ এটি তাদের রাজনৈতিক বার্তা নিষিদ্ধ সংক্রান্ত নীতিমালার লঙ্ঘন হতে পারে।
হোয়াইট হাউসের ফিফা টাস্কফোর্স প্রধান অ্যান্ড্রু জুলিয়ানি সাংবাদিকদের বলেন, "আমরা সংবিধানের প্রথম সংশোধনীর আওতায় মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করি।"
এদিকে, যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় ডাউনিং স্ট্রিট ফিফার তদন্তের দাবি সমর্থন জানিয়ে বলেছে, "ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ অবশ্যই আমাদের।"
ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জের প্রশাসনও ব্যানার প্রদর্শনের ঘটনায় হতাশা প্রকাশ করেছে এবং জানায়, খেলাধুলার সঙ্গে রাজনীতি জড়ানো উচিত নয়।
২০১৩ সালে অনুষ্ঠিত গণভোটে ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জের ৯৯.৮ শতাংশ ভোটার যুক্তরাজ্যের অধীনে থাকার পক্ষে মত দিয়েছিলেন।
আর্জেন্টিনার ভাইস প্রেসিডেন্ট ভিক্টোরিয়া ভিয়াররুয়েল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, "এটি শুধু আরেকটি ফুটবল ম্যাচ ছিল না। ফকল্যান্ড আর্জেন্টিনার।"
১৯৮২ সালে ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জের সার্বভৌমত্ব নিয়ে যুক্তরাজ্য ও আর্জেন্টিনার মধ্যে ৭৪ দিনের যুদ্ধ হয়, যেখানে ২৫৫ জন ব্রিটিশ সেনা, তিনজন দ্বীপবাসী এবং ৬৪৯ জন আর্জেন্টাইন সেনা নিহত হন।