শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬
ব্রেকিং
জাতীয়

জুলাই আন্দোলনে আহতদের সেবা দিয়েছে ঢামেকের চিকিৎসকরা

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঢামেকের চিকিৎসকদের জুলাই আন্দোলনে আহতদের সেবা প্রদানের কথা উল্লেখ করেন।

জুলাই আন্দোলনে আহতদের সেবা দিয়েছে ঢামেকের চিকিৎসকরা

ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল (ঢামেক) ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, এমন মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, ঢামেক ১৯৫২, ১৯৭১, এবং ১৯৯০ সালের আন্দোলনে অবদান রেখেছিল। সর্বশেষ ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনে ঢামেকের চিকিৎসক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা আহতদের পাশে দাঁড়িয়ে চিকিৎসা প্রদান করেছেন।

শনিবার (১১ জুলাই) ডিএমসি ডে-২০২৬ এবং বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ডাক্তাররা জনগণের পরম বন্ধু। বিপদে পড়লে মানুষ তাদের কাছে যায় এবং চিকিৎসকরা রোগ-শোকে কাতর মানুষের পাশে দাঁড়ান।

তিনি আরও জানান, দেশের প্রখ্যাত চিকিৎসকরা দীর্ঘদিন ধরে তার মায়ের চিকিৎসা করেছেন এবং মৃত্যুর আগমুহূর্ত পর্যন্ত তারা মানবিকতার সঙ্গে তার পাশে ছিলেন। বিদেশে চিকিৎসার আলোচনা হলেও তিনি বিশ্বাস করেন, উন্নত যন্ত্রপাতি থাকা সত্ত্বেও সেখানকার মানবিক সেবা পাওয়া যেত না।

প্রধানমন্ত্রী হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করেন। তিনি জানান, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ অন্যান্য হাসপাতালে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে এবং ১০ জন করে আনসার সদস্য মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এছাড়া, রোগীদের সেবা বাড়াতে ৫ হাজার এমবিবিএস চিকিৎসক নিয়োগের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। নার্স, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট, ফার্মাসিস্ট, মিডওয়াইফসহ অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীর শূন্য পদ দ্রুত পূরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবা শক্তিশালী করার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, দেশে প্রায় ৬০০টি উপজেলা থাকলেও মাত্র পাঁচটিতে ১০০ শয্যার হাসপাতাল রয়েছে। দেশের ৭০ শতাংশের বেশি মানুষ গ্রাম ও উপজেলা পর্যায়ে বসবাস করেন।

বক্তব্যের শেষে প্রধানমন্ত্রী বর্তমান ও ভবিষ্যৎ চিকিৎসকদের প্রতি আহ্বান জানান, যাতে দেশের মানুষ আস্থার সঙ্গে উন্নত চিকিৎসা নিতে পারেন এবং বিদেশে চিকিৎসার জন্য ব্যয় কমানো যায়।

বিজ্ঞাপন