খুলনায় এক কিশোরীর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধারের ঘটনা তদন্তে পুলিশ নতুন তথ্য উদ্ঘাটন করেছে। নিহত কিশোরীর নাম আরফানা হোসেন নির্জনা। পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ জাহিদুল হাসান জানান, নিহতের মা আরিফা ইয়াসমিন সীমা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন, যেখানে তিনি হত্যার কথা স্বীকার করেছেন।
শনিবার খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে কমিশনার জানান, ৮ জুলাই নগরীর নিরালা প্রান্তিক আবাসিক এলাকার তিন নম্বর রোড থেকে বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত নির্জনা দশম শ্রেণির ছাত্রী এবং তিনি নগরীর বসুপাড়া এলাকার বাসিন্দা।
পুলিশের তদন্তে জানা যায়, নির্জনার মা সীমা প্রথমে বিভ্রান্তিকর তথ্য দেন, কিন্তু পরে জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার ঘটনা স্বীকার করেন। সীমা বলেন, নির্জনা অষ্টম শ্রেণিতে পড়ার সময় এক বিবাহিত ছেলের সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে এবং সম্প্রতি রনি নামে আরেক ছেলের সাথে তার সম্পর্ক ছিল।
এ ঘটনার পর পারিবারিক কলহ সৃষ্টি হয়। ঘটনার রাতে মা ও মেয়ের মধ্যে বাগবিতণ্ডার এক পর্যায়ে সীমা মেয়েকে মারধর করেন। এরপর বাবার আঘাতে নির্জনার মৃত্যু হয়।
পুলিশ কমিশনার জানান, নির্জনার বাবা মো. আলীম হোসেন আকাশ ছোটখাটো ব্যবসা করেন এবং বর্তমানে তিনি পলাতক। তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি অভিযানে পুলিশ কাজ করছে।