সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬
ব্রেকিং
জিম্বাবুয়েতে নৌকাডুবিতে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৭২ হাওয়াইয়ের দিকে এগোচ্ছে হারিকেন ‘লালা’, জরুরি অবস্থা ঘোষণা ইন্দোনেশিয়ায় ৭.৭ মাত্রার ভূমিকম্পে নিহত ৫১, আহত শতাধিক ইন্দোনেশিয়ায় ৭.৭ মাত্রার ভূমিকম্পে ৫১ জনের মৃত্যু, হাজারো মানুষ বাস্তুচ্যুত ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৭, ১৫০ ভবন ধসে পড়েছে চট্টগ্রামে গ্যাস লিকেজে ৯ শ্রমিকের মৃত্যু, ফেরদৌস স্টিলের কার্যক্রম স্থগিত ভার্জিনিয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ে গুলিতে পাঁচজন আহত ইন্দোনেশিয়ায় ৭.৭ মাত্রার ভূমিকম্পে নিহত ৩৮ জন দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় সাতজন নিহত, হামলা বাড়ছে ইন্দোনেশিয়ায় শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা ২০
স্বাস্থ্য

গ্রামে ক্রিটিক্যাল কেয়ার চিকিৎসা ব্যবস্থা একেবারেই অপ্রতুল

গ্রামে ক্রিটিক্যাল কেয়ার চিকিৎসা ব্যবস্থা অপ্রতুল, জানালেন ডা. জুবাইদা রহমান।

গ্রামে ক্রিটিক্যাল কেয়ার চিকিৎসা ব্যবস্থা একেবারেই অপ্রতুল

ঢাকা শহরে দেশের মোট জনসংখ্যার ন্যূনতম অংশ বাস করে, তবুও রাজধানীতে ক্রিটিক্যাল কেয়ার বা নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্রের (আইসিইউ) সুবিধা ৮০ থেকে ৯০ শতাংশই রয়েছে।

এটি জানিয়েছেন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান। বুধবার (১ জুলাই) রাজধানীর একটি হোটেলে বাংলাদেশ সোসাইটি অব ক্রিটিক্যাল কেয়ার মেডিসিন আয়োজিত 'জাতীয় কনফারেন্স' নামক এক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।

ডা. জুবাইদা বলেন, দেশে প্রতি এক লাখ মানুষের জন্য ক্রিটিক্যাল কেয়ার বেড মাত্র ১.৭টি এবং সাধারণ হাসপাতাল শয্যা মাত্র ৯টি। ৬৪ জেলার মধ্যে ৩৮টি জেলায় কোনো ধরনের আইসিইউ নেই।

তিনি আরও বলেন, গুরুতর অসুস্থ হলে সর্বোচ্চ চিকিৎসাসেবা দেওয়ার সুযোগ নেই। নবজাতক শিশু, অন্তঃসত্ত্বা মা, নিউমোনিয়া বা স্ট্রোকে আক্রান্ত বয়োবৃদ্ধ, কিংবা সড়ক দুর্ঘটনায় আহত তরুণ—ক্রিটিক্যাল কেয়ার সুবিধার অভাবে তাদের অনেকেই অকালেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ছেন।

ডা. জুবাইদা বলেছেন, তবে নিঃসন্দেহে এই পরিস্থিতির পরিবর্তন সম্ভব। তিনি বলেন, "যদি আমরা সম্মিলিতভাবে সংকল্প গ্রহণ করি, তাহলে গুরুতর অসুস্থতার সময় চিকিৎসাসেবার অভাবে আর কোনো দেশবাসীকে প্রাণ হারাতে হবে না।"

বিজ্ঞাপন