জনপ্রিয় ওটিটি প্ল্যাটফর্ম চরকিতে মুক্তি পেয়েছে নতুন অরিজিনাল ফিল্ম ‘লাইফলাইন’। সিনেমাটি ২১ জুন মুক্তির পর দর্শক ও সমালোচকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। বিশেষ করে এর গল্প ও শিল্পীদের অভিনয় দর্শকদের হৃদয়ে গভীরভাবে প্রভাব ফেলেছে।
সামাজিকমাধ্যমে সাধারণ দর্শকরা সিনেমাটির প্রতি ইতিবাচক রিভিউ দিচ্ছেন। সুলতান খান নামে একজন দর্শক ফেসবুকে লিখেছেন, ‘আ খ ম হাসান অসাধারণ!’ সাবিনা ইয়াসমিন ছবির সচেতনামূলক দিকটির প্রশংসা করে বলেন, ‘অনেক সুন্দর একটি গল্প। সিনেমা হলে মুক্তি দিলে মানুষ অনেক সচেতন হতো।’
২৫ জুন সন্ধ্যায় রাজধানীর মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর অডিটোরিয়ামে লাইফলাইন’র একটি বিশেষ প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। প্রদর্শনীতে সিনেমাটির কলাকুশলী, সাংবাদিক ও কনটেন্ট ক্রিয়েটররা উপস্থিত ছিলেন। প্রদর্শনী শুরুর আগে সিনেমাটির সম্পাদক ময়ূখ বারীর বাবার প্রয়াণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
প্রদর্শনী শেষে অভিনেত্রী বিদ্যা সিনহা মীম আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। তিনি বলেন, “পর্দায় বাবা-মেয়ের সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং ফিল্মটির মূল আবেগের সঙ্গে আমার বাস্তব জীবনের অনুভূতি মেলাতে গিয়ে কান্না ধরে রাখতে পারিনি।”
ফিল্মটিতে বাবা-মেয়ের চরিত্রে অভিনয় করেছেন বরেণ্য অভিনেতা খায়রুল আলম সবুজ ও বিদ্যা সিনহা মীম। খায়রুল আলম সবুজ মন্তব্য করেন, “এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ, এবং পুরো টিমের সহযোগিতায় আমার চরিত্রটি ফুটিয়ে তুলতে পেরেছি।”
বিশেষ প্রদর্শনীতে আমন্ত্রিত অতিথিরা লাইফলাইন’র গল্প ও নির্মাণের ভূয়সী প্রশংসা করেন। দর্শকদের মধ্যে আ খ ম হাসানের চরিত্রটি বিশেষভাবে নজর কেড়েছে। অভিনেতা বলেন, “আমি অভিনেতা, যেখানে কাজ করার সুযোগ পাই, সেখানেই কাজ করি।”
ফিল্মটির ‘আমারে নাও’ গানটিও দর্শকরা পছন্দ করেছেন। নির্মাতা কাজী আসাদের কথায়, “গানটি তৈরি হওয়ার প্রথম থেকে আমি এর সঙ্গে ছিলাম। গানটির সঙ্গে আবেগও ছিল।”
লাইফলাইন’র মাধ্যমে বিদ্যা সিনহা মিম প্রথমবারের মতো চরকির কোনো প্রজেক্টে কাজ করলেন। নির্মাতা কাজী আসাদ এর আগে চরকির জন্য ‘আধুনিক বাংলা হোটেল’ সিরিজ নির্মাণ করেছিলেন।