বাংলাদেশ চীনের চারটি বৈশ্বিক উদ্যোগে যুক্ত হতে যাচ্ছে, যা দেশের ভূরাজনীতিতে গুরুত্ব বৃদ্ধি করবে। প্রধানমন্ত্রীর বেইজিং সফরের সময় এই ঘোষণা আসতে পারে।
চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের উদ্যোগগুলোর মধ্যে উন্নয়ন, নিরাপত্তা, সভ্যতা ও সুশাসন অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। শি দাবি করেছেন, টেকসই উন্নয়ন অর্জনই এই উদ্যোগগুলোর মূল লক্ষ্য।
বিশ্লেষকরা বলছেন, চীনের এই উদ্যোগের উদ্দেশ্য হলো ভারত ও প্রশান্ত মহাসাগরকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্রের ইন্দো-প্যাসিফিক কৌশলকে ঠেকানো। পাঁচ বছর আগে বাংলাদেশকে এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত হওয়ার প্রস্তাব দেয়া হয়েছিল।
ঢাকা এখন পর্যন্ত কোনো জোটে যোগ দেয়নি, তবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, জাতীয় স্বার্থে যে কোনো উদ্যোগে অংশগ্রহণ করতে চায় নতুন সরকার।
প্রধানমন্ত্রীর সফরের সময় চীনের বৈশ্বিক উন্নয়ন উদ্যোগে যুক্ত হওয়ার ঘোষণা আসতে পারে। সাবেক রাষ্ট্রদূত মাহফুজুর রহমান বলেন, “ডেভলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভ বা সিকিউরিটি ইনিশিয়েটিভ; এগুলোর কনক্রিট রূপ দেওয়া খুব মুশকিল।”
তিনি আরও বলেন, “এতে চীন খুশি হলেও আমাদের হারানোর কিছু নেই।” আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষক ওবায়দুল হক বলেন, “আলোচনা ছাড়া সমাধান হয় না। আলোচনা অনেক কঠিন জিনিস সহজ করে দিতে পারে।”
প্রধানমন্ত্রী ঢাকা থেকে মালয়েশিয়া হয়ে চীন যাচ্ছেন এবং ২৬ জুন শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করবেন।