রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ও বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে বড় চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছে সরকার। প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বৃহস্পতিবার রাজধানীর সিরডাপে এক সেমিনারে এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, সরকারের পাঁচ বছর মেয়াদি কর কাঠামো ব্যবসা-বান্ধব পরিবেশ তৈরির লক্ষ্যে পরিকল্পিত হয়েছে। বিনিয়োগকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে, যা দেশের অর্থনীতির পুনরুদ্ধারে সহায়ক হবে।
সেমিনারে বক্তারা জানান, এবারের বাজেট বাস্তবায়ন হবে বড় চ্যালেঞ্জ। সামষ্টিক অর্থনীতি চাপে থাকলে বাজেট বাস্তবায়ন করা কঠিন হবে। বক্তারা উচ্চ মূল্যস্ফীতি মোকাবিলার গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং জানান, ৬০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ কার্যকর করতে হলে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।
ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, করের হার না বাড়িয়ে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির দিকে সরকার এগোচ্ছে। তিনি জানান, ২০৩৫ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত করতে হলে বিনিয়োগ বৃদ্ধির পাশাপাশি রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা প্রয়োজন।