বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬
ব্রেকিং
মস্কোতে ইউক্রেনের সর্ববৃহৎ ড্রোন হামলা, ১৭ জন আহত ময়মনসিংহে স্বামীর সামনে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার নারী ক্যালিফোর্নিয়ায় B-52 বোমারু বিমান দুর্ঘটনা: ৮ জন নিহত লালমনিরহাটে নিখোঁজ শিশুর বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার গাজায় যুদ্ধবিরতির ৮ মাসেও ইসরায়েলি হামলা, আরও ৭ নিহত রাউজানে যুবদল নেতা মাসুদ হত্যাকাণ্ডে পেশাদার খুনিরা দ্রুত পালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে তিন বছরের ফিলিস্তিনি শিশুর মৃত্যু যশোরে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে ৩ যুবক গ্রেপ্তার ইরানের সাথে যুদ্ধের সমাপ্তি: যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চুক্তি রাশিয়ার হামলায় ইউক্রেনে নিহত ৯, কিয়েভের ঐতিহাসিক গির্জায় আগুন
অর্থনীতি

বাংলাদেশে ব্যাংকিং খাতে ১ লাখ ৩৬ হাজার কোটি টাকার লোকসান

বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতে গত বছর ১ লাখ ৩৬ হাজার কোটি টাকার লোকসান হয়েছে, যা একটি গভীর সংকটের ইঙ্গিত দেয়।

বাংলাদেশে ব্যাংকিং খাতে ১ লাখ ৩৬ হাজার কোটি টাকার লোকসান

বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাত বর্তমানে একটি গভীর সংকটে রয়েছে। গত বছর ব্যাংকিং খাতে নিট লোকসান হয়েছে ১ লাখ ৩৬ হাজার ৬৬৬ কোটি টাকা। এটি এক দশকেরও বেশি সময়ের মধ্যে প্রথমবারের মতো ব্যাংক খাত সামগ্রিকভাবে লোকসানের মুখে পড়লো।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রকাশিত ফাইন্যান্সিয়াল স্ট্যাবিলিটি রিপোর্ট-২০২৫ অনুযায়ী, খেলাপি ঋণের অস্বাভাবিক বৃদ্ধির কারণে ব্যাংকগুলোর মুনাফা কমে গেছে। শীর্ষ পাঁচ ব্যাংকই ইসলামী ধারার ব্যাংক এবং এদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি লোকসান হয়েছে ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের, যা ৬৬ হাজার ৩৮৬ কোটি টাকা।

এস আলমের মালিকানাধীন সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক ৩১ হাজার কোটি টাকার লোকসানের মুখে রয়েছে। এছাড়া এক্সিম, গ্লোবাল ইসলামী, ইউনিয়ন, এবি ব্যাংক, আইএফআইসি, ন্যাশনাল ব্যাংক, প্রিমিয়ার ব্যাংক ও পদ্মা ব্যাংকও বড় অঙ্কের লোকসানের সম্মুখীন হয়েছে।

ব্যাংক খাতের সংকটের মূল কারণ হিসেবে সমস্যাগ্রস্ত ঋণের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি চিহ্নিত করা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত বছর শেষে ব্যাংক খাতের সমস্যাগ্রস্ত ঋণের পরিমাণ ছিল ১০ লাখ ৮৭ হাজার ৫৯০ কোটি টাকা, যা মোট ঋণের ৫৯ দশমিক ৭৩ শতাংশ।

বিজ্ঞাপন