২০২৫ সালের শেষে বাংলাদেশের ব্যাংক খাতের ঝুঁকিপূর্ণ ঋণ ১০ লাখ কোটি টাকাকে অতিক্রম করেছে, যা ব্যাংকিং খাতের জন্য একটি উদ্বেগজনক সংকেত হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই সংকটের ফলে ব্যাংক খাত প্রথমবারের মতো বড় ধরনের লোকসানের মুখোমুখি হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংককে এই পরিস্থিতির জন্য দায়ী করা হচ্ছে, কারণ তারা বিভিন্ন ব্যাংককে সহজ শর্তে ঋণ পুনঃতফসিলের সুযোগ প্রদান করেছে।
ব্যাংকার সৈয়দ মাহবুবুর রহমান জানান, অনেক ব্যাংকের ৩৫ শতাংশেরও বেশি সম্পদ অলাভজনক হয়ে পড়েছে, যা ব্যাংকগুলোর জন্য ঘুরে দাঁড়ানো কঠিন করে তুলছে।
গত বছর ব্যাংক খাতের নিট লোকসান ১ লাখ ৩৬ হাজার কোটি টাকারও বেশি ছিল। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতির কারণে ব্যাংকগুলোর ঋণ আদায়ে শৃঙ্খলা কমছে, যা সংকট আরও বাড়িয়ে তুলছে।
সাবেক বিআইবিএম মহাপরিচালক তৌফিক আহমেদ চৌধুরী বলেন, ব্যাংক খাতে সুশাসন নিশ্চিত করতে করপোরেট গভর্ন্যান্স শক্তিশালী করা অপরিহার্য।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান জানান, কিছু ব্যাংকের সম্পদের মান খারাপ হওয়ার কারণে পুরো ব্যাংকিং খাতের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। তবে অনেক ব্যাংক এখনও ভালো অবস্থানে রয়েছে।