লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলায় ফরিদ আহম্মেদ ভূঁইয়া অ্যাকাডেমির হোস্টেলে অষ্টম শ্রেণির ছাত্র মেহেদী হাসান নামের এক ছাত্রের মৃত্যু ঘটেছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের মধ্যে বিক্ষোভ ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।
মেহেদী হাসান, যিনি রামগঞ্জ উপজেলার সোনাপুর বাজারের ফ্যামিলি ফ্যাশনের মালিক জিয়া উদ্দিনের ছেলে, হোস্টেলে থেকে পড়াশোনা করছিলেন। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কলেজ হোস্টেল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, মেহেদী হাসানকে নির্যাতন ও পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এই অভিযোগ করেছেন শিক্ষার্থীর স্বজনরাও। ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয়রা প্রতিষ্ঠানের ভেতরে ও বাইরে প্রতিবাদে নামেন এবং বিক্ষোভ করেন।
বিক্ষোভের সময় রাত সাড়ে ১২টা পর্যন্ত দফায় দফায় ভাঙচুর চালানো হয়। পুলিশ জানায়, ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে।
মেহেদী হাসানের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান কাজেমী জানান, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে এবং ময়নাতদন্তের ফলাফলের ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
এদিকে, মেহেদী হাসানের মৃত্যুর সংবাদ শুনে তার বাবা জিয়া উদ্দিন হৃদরোগে আক্রান্ত হন। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, তিনি আগে থেকেই হৃদরোগে আক্রান্ত ছিলেন। বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক।