রাজধানীর মহাখালী, সায়েদাবাদ, গুলিস্তান ও গাবতলী বাস টার্মিনালগুলো এখনই সরছে না। সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম জানিয়েছেন, শহরের বাইরে বাস রাখার জন্য ডিপো নির্মাণ করা হবে। এই ডিপো থেকে টার্মিনালে বাস এসে যাত্রী নিয়ে যাবে, তবে এতে খরচ বাড়বে বলে দাবি পরিবহন সংশ্লিষ্টদের।
প্রতিদিন হাজার হাজার যাত্রী মহাখালী বাস টার্মিনাল ব্যবহার করেন, যেখানে চলাচল করে কয়েকশ বাস। টার্মিনালের বাইরে বাস অবস্থান নেয় সড়কেও, ফলে যানজট সৃষ্টি হয়। সায়েদাবাদ, গুলিস্তান ও গাবতলী টার্মিনালেও একই সমস্যা দেখা দেয়, যেখানে ধারণক্ষমতার চেয়ে বেশি বাস থাকার কারণে সড়ক দখল হয়ে যায়।
মন্ত্রী বলেন, "বাস টার্মিনাল সবগুলোই সরবে, তবে রাতারাতি সরাতে হবে সেটা বলছি না।" তিনি কাঁচপুরে নতুন শেড নির্মাণের কথা উল্লেখ করেন, যা অস্থায়ী নয় এবং সেখানে বাস শিফট হবে।
পরিবহন বিশেষজ্ঞরা কাঁচপুর, কেরাণীগঞ্জ, টঙ্গী ও হেমায়েতপুরে ডিপো হিসেবে অবকাঠামো গড়ে তোলার পরামর্শ দিয়েছেন। বুয়েটের অধ্যাপক মো. হাদিউজ্জামান বলেন, "যেখানে স্থায়ী অবকাঠামো হবে, সেটি ডিপো হিসেবে ব্যবহার করা উপযোগী।"
মহাখালী বাস পরিবহন মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক কামরুল ইসলাম বাবুল সরকারের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন। তিনি বলেন, "যদি সুযোগ-সুবিধা পাই, পূর্বাচলে নেওয়ার পরিকল্পনায় অংশগ্রহণ করতে পারি।"
নগরবাসীও বাস টার্মিনালগুলো শহরের বাইরে নেয়ার পক্ষে। যাত্রীদের মতে, শহরের ভেতরে বাস থাকলে যানজট বৃদ্ধি পায়। এক যাত্রী বলেন, "যদি তিনটা টার্মিনাল সরে যায়, ঢাকা শহরের ৫০ ভাগ যানজট কমে যাবে।"
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সোমবার বাস টার্মিনাল সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেন।