নরওয়ের ক্রাউন প্রিন্সেস মেটে-মারিটের ছেলে মারিয়াস বর্গ হোয়াইবি ধর্ষণের দুইটি মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়ে চার বছরের কারাদণ্ড পেয়েছেন। ২৯ বছর বয়সী হোয়াইবির বিরুদ্ধে চারটি ধর্ষণের অভিযোগ আনা হয়েছিল, যার মধ্যে আদালত দুটি প্রমাণিত বলে রায় দিয়েছে।
ওসলো জেলা আদালতের তিন বিচারকের বেঞ্চ বাকি দুটি অভিযোগ থেকে তাকে খালাস দিলেও, অন্যান্য গুরুতর অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করেন। রায় ঘোষণার সময় হোয়াইবি আদালতে উপস্থিত ছিলেন না; অসুস্থতার কারণে তিনি ভিডিও লিংকের মাধ্যমে শুনানিতে যুক্ত ছিলেন, জানান তার আইনজীবীরা।
রায়ে হোয়াইবিকে মোট ৩৪টি অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে, যার মধ্যে ধর্ষণ, নির্যাতন, হুমকি প্রদান ও মাদক-সংক্রান্ত অপরাধ অন্তর্ভুক্ত। আদালত জানায়, ২০১৮ সালে রাজপরিবারের স্কাগুম এস্টেটে এবং ২০২৪ সালে ওসলোতে পৃথক ঘটনায় দুই নারীকে ধর্ষণের প্রমাণ মেলে।
মামলায় ছয়জন নারী জড়িত ছিলেন। আদালত দুই নারীর ক্ষেত্রে হোয়াইবিকে নির্দোষ ঘোষণা করলেও, বাকি ঘটনায় তাকে দোষী সাব্যস্ত করে। অভিযোগ অনুযায়ী, অনেক ভুক্তভোগী ঘটনার সময় ঘুমিয়ে ছিলেন বা অচেতন অবস্থায় ছিলেন।
আদালতের পর্যবেক্ষণে বলা হয়, ভুক্তভোগীদের সঙ্গে যোগাযোগের ঝুঁকি রয়েছে, এবং এ কারণে হোয়াইবির মুক্তির আবেদন খারিজ করা হয়। নরওয়ের এক অপরাধবিষয়ক বিশেষজ্ঞ জানান, দেশে ধর্ষণ মামলায় প্রমাণের মানদণ্ড কঠোর হওয়ায় অনেক মামলা আদালতে টিকতে পারে না, যা ভুক্তভোগীদের হতাশা তৈরি করছে।