সম্প্রতি ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় নেতা মো. জিসান মিয়া প্রধানের নিখোঁজ ও ধর্ষণ সংক্রান্ত অভিযোগ সংসদে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ রোববার সংসদে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন।
মন্ত্রী জানান, জিসান মিয়া বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক নারীকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন, ফলে ওই নারী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। পরে জিসান জোরপূর্বক ভ্রুণ নষ্ট করার চাপ প্রয়োগ করেন এবং তা না হলে ওই নারীকে হত্যার হুমকি দেন। ১১ জুন তিনি আত্মগোপনে চলে যান এবং থানায় নিখোঁজের অভিযোগ করেন।
মন্ত্রী আরও জানান, এই ঘটনায় অভিযুক্ত সজীব হাসান ও সেকান্দার আলীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা চলমান রয়েছে।
জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের প্রতিবাদ করেন। তিনি বলেন, “এ ধরনের বিতর্কিত বিষয় সংসদে উত্থাপন করা অপ্রত্যাশিত।”
ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল তাহেরকে স্মরণ করিয়ে দেন যে, সংসদের বিধান অনুযায়ী ৩০০ বিধিতে কথা বললে সে নিয়ে প্রশ্ন করা যায় না।
জামায়াতের নায়েবে আমির আরও জানান, কুমিল্লার পুলিশ জিসান এবং অভিযোগকারী নারীর সাথে কথা বলতে দিচ্ছে না, যা সন্দেহের সৃষ্টি করছে। তিনি অভিযোগ করেন, এটি একটি ষড়যন্ত্রের অংশ হতে পারে।