বিদ্যুতের ভর্তুকি কমানোর লক্ষ্যে বাজেটে বিদ্যুতের বরাদ্দ নির্ধারণ করা হয়েছে, জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ।
মন্ত্রী বলেন, সারাবিশ্বে জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহারে হ্রাস ঘটছে। এই প্রেক্ষাপটে ২০৩০ সালের মধ্যে ৫ হাজার মেগাওয়াট নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদনের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার।
তিনি শুক্রবার (১২ জুন) সকালে পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ (পিজিসিবি) পরিদর্শনে গিয়ে এসব কথা বলেন। মন্ত্রী অভিযোগ করেন, ফ্যাসিস্ট সরকারের অপরিকল্পিত সম্প্রসারণের কারণে বিদ্যুৎ খাতে বিভিন্ন লাইন তৈরি হয়েছে, যার ফলে উৎপাদন, সঞ্চালন ও সরবরাহের মধ্যে সমন্বয় হয়নি।
এতে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সঞ্চালন ঠিক থাকলেও বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ ব্যবস্থা সঠিকভাবে গড়ে ওঠেনি, যার ফলস্বরূপ লোডশেডিং হচ্ছে।
মন্ত্রী আরও জানান, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে করা সব বিদ্যুৎ চুক্তি পর্যালোচনা করা হচ্ছে এবং কোনো আইনি বাধা না থাকলে সেসব চুক্তি থেকে সরে আসবে সরকার।
তিনি বলেন, চলতি বছরের নভেম্বর মাস থেকে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিট থেকে ৩০০ থেকে ৩৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাওয়া সম্ভব হবে।