প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান জানান, বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি সত্ত্বেও আগামী বাজেটে ৪১ হাজার কোটি টাকার মতো ভর্তুকি দিতে হবে।
তিনি শনিবার (৬ জুন) সকালে সচিবালয়ে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিষয়ে এক জরুরি প্রেস ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন। তথ্য উপদেষ্টা বলেন, বিইআরসি প্রাথমিকভাবে পাইকারি পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম ১৯ দশমিক ৮৫ শতাংশ, গ্রাহক পর্যায়ে ১৬ দশমিক ৬৮ শতাংশ এবং সঞ্চালন চার্জ ২৩ দশমিক ৯৬ শতাংশ বাড়িয়েছে।
সরকার আপিল করার পর আবাসিক লাইফলাইন গ্রাহক (০-৫০ ইউনিট) এবং প্রথম ধাপের গ্রাহক (৫১-৭৫ ইউনিট) শ্রেণির বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি কার্যকর হয়নি। ফলে দেশের প্রায় ৬৫ শতাংশ গ্রাহক আগের হারেই বিদ্যুৎ পাচ্ছেন।
ডা. জাহেদ উর রহমান আরও বলেন, বাংলাদেশ জ্বালানি তেলের ক্ষেত্রে আমদানিনির্ভর হওয়ায় বৈশ্বিক বাজারের প্রভাবে মূল্য সমন্বয় করতে হয়েছে।
সরকার পেট্রোল, অকটেন ও কেরোসিনের দাম বাড়ালেও ডিজেলের দাম অপরিবর্তিত রেখেছে। কারণ গণপরিবহন, পণ্যবাহী ট্রাক ও কৃষিখাতে ডিজেলের ব্যবহার সবচেয়ে বেশি। ফলে সাধারণ মানুষের ওপর সরাসরি চাপ কমাতে ডিজেলের মূল্য বৃদ্ধি করা হয়নি।