জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর এবার নিজেদের ল্যাবরেটরিতে পণ্য পরীক্ষা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে ভোক্তার আস্থা অর্জন এবং বাজার নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে সাহায্য করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
অধিদপ্তরের মহাপরিচালক জহিরুল ইসলাম জানান, বর্তমানে পণ্য মান নিয়ে সন্দেহ হলে নমুনা বিএসটিআই, সায়েন্স ল্যাব বা অন্য প্রতিষ্ঠানে পাঠাতে হয়, যা রিপোর্ট পেতে ১৫ দিন থেকে ২ মাস সময় লাগে। এই সময়ের মধ্যে অভিযুক্তরা জামিন নিয়ে আবার ব্যবসায় যুক্ত হতে পারে। নিজস্ব ল্যাব স্থাপনের ফলে দ্রুত পরীক্ষার ফল পাওয়া যাবে এবং ভেজাল প্রমাণিত হলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে।
বিশ্লেষকদের মতে, যদিও এটি একটি ইতিবাচক উদ্যোগ, তবে অধিদপ্তরের সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বাজারে খাদ্যপণ্য ও প্রসাধনীর ক্ষেত্রে ভেজাল ও নকল পণ্যের বিস্তার লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ক্যাবের সভাপতি এ এইচ এম সফিকুজ্জামান বলেন, “ল্যাব তৈরি করে খাদ্যের মান পরীক্ষা করা হলেও, এটি ভোক্তা অধিকার আইনের পুরোপুরি প্রতিফলন নয়। বরং অধিদপ্তরের জনবল ও সক্ষমতা বাড়ানো বেশি গুরুত্বপূর্ণ।”
বিশেষজ্ঞদের মতে, অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। পরিবহন, ডিজিটাল প্রতারণা, মোবাইল অপারেটরসহ অন্যান্য সেবা খাতে অধিদপ্তরের কার্যক্রম সন্তোষজনক নয়, যা তদারকির পাশাপাশি গবেষণার ক্ষেত্রে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।