রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নিরাপদ অভিবাসন এবং মর্যাদাপূর্ণ কর্মসংস্থান নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, "আসুন, আমরা এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলি, যেখানে অভিবাসন হবে নিরাপদ এবং কর্মসংস্থান হবে মর্যাদাপূর্ণ।" রাষ্ট্রপতি বুধবার বিকেলে রিফিউজি অ্যান্ড মাইগ্রেটরি মুভমেন্টস রিসার্চ ইউনিট (আরএমএমআরইউ)-এর ৩০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে এই কথা বলেন।
রাষ্ট্রপতি বলেন, প্রবাসী ও প্রত্যাগত কর্মীরা দেশের উন্নয়নের সমান অংশীদার। তিনি অভিবাসীদের অধিকার ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সরকার ও বিরোধীদলসহ সকল অংশীজনকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। তিনি উল্লেখ করেন, "রেমিট্যান্সের প্রতিটি ডলারের পেছনে রয়েছে একজন মানুষের শ্রম, ত্যাগ ও স্বপ্ন।"
২০২৫-২৬ অর্থবছরে প্রবাসীরা ৩৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার পাঠিয়েছেন, যা দেশের অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রাষ্ট্রপতি বলেন, "আমাদের দায়িত্ব তাদের প্রতি অনেক বেশি।" তিনি প্রবাসীদের দক্ষতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, "দুর্ভাগ্যক্রমে, আমরা তাদেরকে খুব বেশি প্রস্তুত করতে পারি না।"
রাষ্ট্রপতি অভিবাসীদের ভোগান্তির জন্য মধ্যস্বত্বভোগী ও প্রভাবশালী ব্যক্তিদের দায়ী করেন। তিনি বলেন, "বর্তমানে প্রবাসীদের ৫-৬ লাখ টাকা খরচ করতে হয়।" দক্ষ জনশক্তি তৈরি ও প্রবাসীদের অধিকার নিশ্চিত করার জন্য সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা উল্লেখ করেন তিনি।
রাষ্ট্রপতি ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে প্রবাসীদের অবদানের কথা উল্লেখ করে তাদেরকে ধন্যবাদ জানান। তিনি প্রস্তাবিত অভিবাসন দশক বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করার জন্য অনুরোধ জানান। অনুষ্ঠানে সোনার মানুষ সম্মাননা স্মারক পুরস্কার ও ক্রেস্ট হস্তান্তর করা হয়।