ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) পদত্যাগের দাবিতে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। দিল্লিতে দ্বিতীয় দিনেও পুলিশের ধরপাকড় অব্যাহত রয়েছে।
রামকৃষ্ণ আশ্রম এলাকা থেকে আবারও আটক হয়েছেন অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নেহা বোরা। শনিবার বিক্ষোভের সময়ও তাকে আটক করা হয়েছিল, কিন্তু পরে মুক্তি দেওয়া হয়।
বিক্ষোভের মধ্যে, পুলিশ বেশ কয়েকজন আন্দোলনকারীকে আটক করে। বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, নিরাপত্তাকর্মীরা বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের সদস্যদের টেনেহিঁচড়ে বাসে তুলে নিয়ে যায়, এবং তাদের অনেকের শরীরে আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে।
এক আন্দোলনকারী জানান, ‘এই স্বৈরাচার টিকবে না। আমরা প্রতিটি মুহূর্ত রাজপথে থাকব। সিইসির পদত্যাগ, নির্বাচন কমিশনের সংস্কার ও গণতন্ত্র রক্ষার দাবি জানিয়ে যাব।’
সিজেপির কর্মসূচি ঘিরে যন্তর মন্তর এলাকায় দিল্লি পুলিশ নিরাপত্তা জোরদার করেছে। মেট্রোরেল চলাচল স্বাভাবিক থাকলেও স্টেশন ঘিরে বিপুলসংখ্যক নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে।
সুপ্রিম কোর্ট মেট্রো স্টেশনে বিধিনিষেধ আরোপের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নিয়েছে। আদালতের নির্দেশে, প্রয়োজন ছাড়া সব ব্যারিকেড সরিয়ে নিতে হবে এবং বড় জমায়েতের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করতে বলা হয়েছে।
এদিকে, আটকের একদিন পর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশে মুক্তি পেয়েছেন সিজেপির তিন নেতা, তাদের মধ্যে অভিজিৎ দিপকেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। মুক্তি পাওয়ার পর তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ভীতু বলে আখ্যা দেন।
সিজেপির যুগ্ম আহ্বায়ক সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। রাঙ্কা বলেন, ‘নরেন্দ্র মোদি ভারতের জন্য লজ্জার। ৭২ ঘণ্টায় দেশ যে স্বৈরতন্ত্র দেখেছে তা ১৯৭৫ সালকেও ছাড়িয়ে গেছে।’
জনপ্রিয় ইউটিউবার ধ্রুব রাঠি দাবি করেছেন, তাকে আটক নয়, অপহরণ করা হয়েছিল।