রাজধানী ঢাকায় অবৈধ ব্যাটারি অটোরিকশার সংখ্যা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা দুর্ঘটনা এবং যানজটের সৃষ্টিকারী হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে। যোগাযোগ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই সমস্যার মূল কারণ হলো অটোরিকশা তৈরির সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করা।
বাংলাদেশের সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ব্যাটারি রিকশা নিয়ন্ত্রণে নতুন নীতিমালা প্রণয়ন করা হচ্ছে, যার অধীনে নিবন্ধন করা হবে। তবে, মূল সড়কে এই রিকশাগুলো চলতে দেওয়া হবে না।
রাজধানীর সড়কে প্রতিদিনই যানজটের কারণে সাধারণ মানুষ, কর্মজীবী, শিক্ষার্থী এবং রোগীরা চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন। ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) জানিয়েছে, তারা অবৈধ অটোরিকশা নির্মাণের মালামাল জব্দ করছে এবং অটোরিকশার চলাচল বন্ধ করতে ব্যবস্থা নিচ্ছে।
ডিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার আকতার হোসেন বলেন, "আমরা মহাসড়ক ও অলিগলিতে অটোরিকশা চলতে না দিতে কাজ করছি। প্রথমত তাদের নিষেধ করা হয়, এরপরও যদি মূল সড়কে উঠতে দেখা যায়, তবে ডাম্পিংয়ের ব্যবস্থা করা হবে।"
এদিকে, ব্যাটারি রিকশা চালক ও মালিকরা রোড পারমিট, চালকদের প্রশিক্ষণ এবং গ্যারেজের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার দাবিতে আন্দোলন শুরু করেছেন। যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ সাইফুন নেওয়াজ বলেন, "যানজট ও দুর্ঘটনার বড় কারণ ব্যাটারি রিকশা। তবে, সমস্যার সমাধানে ব্যাটারি উৎপাদনকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।"
সড়ক পরিবহন ও সেতু প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ জানিয়েছেন, নতুন নীতিমালায় অটোরিকশার দৈরাত্ম্য এবং লাইসেন্সের প্রয়োজনীয়তা ঠিক করা হবে। ঢাকায় আনুমানিক ২৫ লাখ ব্যাটারি রিকশা চলছে এবং প্রতিদিন এক থেকে দেড় হাজার নতুন অটোরিকশা যুক্ত হচ্ছে।