বুধবার, ০৭ অক্টোবর, ২০২৬
ব্রেকিং
স্বাস্থ্য

ফসলের নিরাপত্তা: উৎপাদন থেকে ভোক্তার প্লেটের ঝুঁকি

ফসল উৎপাদন থেকে ভোক্তার প্লেটে আসার পথে নিরাপত্তার প্রশ্ন উঠেছে।

ফসলের নিরাপত্তা: উৎপাদন থেকে ভোক্তার প্লেটের ঝুঁকি

বাংলাদেশের কৃষি খাতে উৎপাদিত সবজি সরাসরি ভোক্তার প্লেটে পৌঁছানোর প্রক্রিয়ায় নিরাপত্তার প্রশ্ন উঠেছে। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, উৎপাদন থেকে বাজারে আসার সময় সবজিতে কীটনাশক ও ভারী ধাতুর অবশিষ্টাংশ পাওয়া যাচ্ছে, যা ভোক্তাদের জন্য স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করছে।

কৃষকরা সাধারণত কীটনাশকের দোকানদারদের ওপর নির্ভর করেন, কিন্তু তারা এই রাসায়নিকগুলোর ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে অবগত নন। কৃষি কর্মকর্তাদের নিয়মিত পরামর্শ না পেলে কৃষকেরা এসব দোকানদারের নির্দেশনা অনুসরণ করেন।

তথ্য অনুযায়ী, বাজারে ব্যবহৃত কিছু কীটনাশক যেমন ম্যানকোজেব এবং কারটাপ, ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ অনেক দেশে নিষিদ্ধ। এই রাসায়নিকগুলোর ব্যবহারের ফলে খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।

রাজধানীর খিলক্ষেত বাজারে দেখা যায়, নোংরা পানিতে সবজি ধোয়া হচ্ছে, যা ভোক্তাদের জন্য মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি সৃষ্টি করে। খুচরা ব্যবসায়ীরা এ নিয়ে উদ্বিগ্ন না হলেও, ক্রেতাদের পক্ষে সবজির নিরাপত্তা যাচাই করা সম্ভব নয়।

গবেষণায় দেখা গেছে, বেগুন, শশা ও টমেটোতে ভারী ধাতু ও কীটনাশকের পরিমাণ অনুমোদিত সীমার চেয়ে বেশি। খাদ্য নিরাপত্তা ও প্রক্রিয়াজাতকরণ ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. হাবিবুর রহমান জানান, কৃষকরা কীটনাশক প্রয়োগের পর নির্দিষ্ট সময় অপেক্ষা না করে দ্রুত ফসল তুলে আনার ফলে স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে।

তিনি বলেন, কৃষক থেকে শুরু করে পুরো সরবরাহ ব্যবস্থায় নিয়মিত নজরদারি নিশ্চিত করা প্রয়োজন, যাতে ভোক্তাদের স্বাস্থ্য রক্ষা করা যায়।

বিজ্ঞাপন