ডিজেলের দাম বৃদ্ধি কৃষকদের জন্য নতুন সংকট সৃষ্টি করেছে, যা খাদ্য নিরাপত্তাকে বড় ঝুঁকিতে ফেলছে। সারের সংকটের মধ্যেই এই মূল্যবৃদ্ধি কৃষি খাতে মারাত্মক প্রভাব ফেলবে বলে বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন।
কৃষকরা জানাচ্ছেন, আমন মৌসুমে উৎপাদন খরচ বাড়ার পাশাপাশি আগামী বোরো মৌসুমের ফলন নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। কৃষকরা বলেন, ‘ফসলে তো এমনিতেই আমরা মূল্যায়ন কম পাচ্ছি। এখন যদি তেলের দামও বাড়ে, তাহলে আমরা কীভাবে কাজ করে খাব?’
দেশে ডিজেলের চাহিদা বছরে প্রায় ৪৪ লাখ টন, যার ২৪ শতাংশ কৃষিতে ব্যবহৃত হয়। সেচের জন্য ডিজেলের প্রয়োজনীয়তা কৃষকদের জন্য অত্যাবশ্যক। কৃষি অর্থনীতিবিদ জাহাঙ্গীর আলম খান বলেন, ‘তেলের দাম বৃদ্ধির কারণে কৃষকদের যে ক্ষতি হয়েছে, তা পোষাতে নগদ সহায়তা দিতে হবে।’
সারের সংকটের কারণে অনেক এলাকায় কৃষকরা বিক্ষোভও করেছেন। এখন ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধি কৃষকদের মধ্যে নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে। কৃষকরা বলছেন, ‘যা আবাদ করেছি, সার–পানি দিতে পারিনি। এখন খুব সমস্যা হয়ে যাচ্ছে।’
বিশেষজ্ঞরা খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কৃষকদের জন্য প্রণোদনা দেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন। কৃষি খাতে ভর্তুকি বাড়ানোর জন্য কম গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প থেকে অর্থ সাশ্রয় করারও সুপারিশ করা হয়েছে।