চলতি মৌসুমে নওগাঁয় আউশ ধানের বাম্পার ফলন হলেও কৃষকরা কাঙ্ক্ষিত মূল্য পাচ্ছেন না। বর্তমানে মণপ্রতি ধানের দাম ৭০০ থেকে ৭৫০ টাকায় নেমে এসেছে, যা উৎপাদন খরচের তুলনায় অর্ধেক। এ কারণে চাষিরা লোকসানের মুখে পড়ছেন।
কৃষকরা জানান, উৎপাদন খরচের চেয়েও কম দামে ধান বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন। জমিতে হাল চাষ থেকে মাড়াই পর্যন্ত বিঘা প্রতি ১৫ মন ধান উৎপাদনে খরচ হচ্ছে ১৩ থেকে ১৫ হাজার টাকা। অথচ ৭০০ টাকা দামে ধান বিক্রি করে তাদের খরচও উঠছে না।
চালকল মালিকরা জানান, বাজারে ধানের দরপতনের অন্যতম বড় কারণ হলো চাল আমদানি। তারা বলছেন, আমদানির কারণে বাজারে পর্যাপ্ত চাল মজুত থাকায় ধান কেনা কমিয়ে দিয়েছে মিলমালিকরা।
নওগাঁ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মনজুর রহমান জানান, গতবারের তুলনায় এবার ধানের ফলন বেশি হয়েছে। কৃষকদের নায্য দাম পেতে ধান সংরক্ষণ করে শুকিয়ে বিক্রি করার পরামর্শ দেন তিনি।
এ বছর নওগাঁয় ৫৬ হাজার ৭০০ হেক্টর জমিতে আউশের আবাদ হয়েছে। এ অঞ্চলের চাল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৮৬ হাজার ৪৭৯ মেট্রিক টন।