চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় চয়ন নামে এক চপ-পেঁয়াজু ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার হারদী ইউনিয়নের ওসমানপুর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। নিহত চয়ন (৪০) হারদী কৃষি ক্লাবপাড়ার গদো মিয়ার ছেলে এবং স্থানীয়ভাবে চপ-পেঁয়াজু বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করতেন।
নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, মঙ্গলবার সকাল ১১টার দিকে পার্শ্ববর্তী ওসমানপুর গ্রামের হেলাল মুঠোফোনে চয়নকে নিজ বাড়িতে ডেকে নেন। সেখানে তাকে আটকে মারধর করা হয় এবং পরে চয়নের ছেলে মারুফকে ফোন করে জানানো হয় যে তার বাবার কাছে টাকা পাওনা রয়েছে।
মারুফ ও তার দাদাকে তিনটি স্ট্যাম্প কিনে হেলালের বাড়িতে যেতে বলা হয়। দুপুরের দিকে তারা সেখানে গেলে জানানো হয়, চয়ন আত্মহত্যা করে মারা গেছেন। পরে একটি ভ্যানে করে চয়নের মরদেহ আলমডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে (হারদী হাসপাতাল) নেওয়া হয়।
চয়নের ছেলে মারুফ বলেন, “আমার বাবাকে বাড়িতে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয়েছে। হেলালের পরিবারের সঙ্গে আমাদের পারিবারিক সম্পর্ক ছিল। টাকা-পয়সার কোনো লেনদেন থাকলেও আমরা তা পরিশোধ করতাম। কিন্তু এ জন্য তাকে কেন হত্যা করা হলো?”
হারদী হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. রুবায়েদ হাসান জানান, হাসপাতালে আনার আগেই চয়নের মৃত্যু হয়েছে এবং তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
আলমডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাকিবুল ইসলাম বলেন, “খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির পর ময়নাতদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।”